মিশরের প্রেসিডেন্ট পদে নির্বাচনি প্রচারণা স্থগিত করেছেন দেশটির সাবেক সেনাপ্রধান সামি আনান। তার প্রচারণা দলের পক্ষ থেকে সাময়িক ভাবে কার্যক্রম বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হলেও তাকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত কোনও তথ্য জানানো হয়নি। মধ্যপ্রাচ্যের খবর পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডলইস্ট মনিটর এই খবর জানিয়েছে। মিশরের সেনাবাহিনীর তরফ থেকে জানানো হয়েছে সামির বিরুদ্ধে আইনের গুরুতর তিনটি লঙ্ঘন তদন্ত করবেন তারা।
গতকাল রাজধানী কায়রো থেকে প্রচারণা দলের ৩০ সদস্যসহ আটক হন সাবেক সেনাপ্রধান সামি আনান। সেনাবাহিনীর জিজ্ঞাসাবাদের ডাকে সাড়া দিতে যাওয়ার পর প্রচারণা দলের পক্ষ থেকে জানানো হয় আটক হন সামি। গত সপ্তাহে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পাতায় মার্চে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দেওয়ার পর তাকে ডেকে পাঠায় সেনাবাহিনী।সামির পক্ষ থেকে প্রচারণা স্থগিতের ঘোষণা দেওয়ার পর দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে যাওয়া ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্ট আল সিসির শক্ত কোনও প্রতিদ্বন্দ্বি না থাকার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। এর আগে প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণা দেওয়া সাবেক প্রধানমন্ত্রী আদনান শফিক ও সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদাতের ভাইপো তাদের প্রতিদ্বন্দ্বীতা প্রত্যাহার করেছেন। আরেক প্রতিদ্বন্দ্বি আইনজীবী খালিদ আলীর প্রার্থিতা বাতিল হয়েছে।
সামির প্রচারণা দলের মুখপাত্র মাহমুদ রিফায়েত ইউরোপীয় ইউনিয়নের কর্মকর্তাদের কাছে ‘আল সিসির সন্ত্রাসী কার্যক্রম বন্ধের’ আহ্বান জানিয়েছেন।
সাবেক সেনা কর্মকর্তা সামির বিরুদ্ধে সেনাবাহিনীর অনুমতি ছাড়া নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতা ঘোষণায় আইন লঙ্ঘনের অভিযোগ ছাড়াও ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত করতে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগ আনা হয়েছে। মিশরের সামরিক আদালতের সাবেক প্রধান বিচারক মেজর জেনারেল সাইয়দ হাশিম বলেছেন, এসব অভিযোগ প্রমাণিত হলে সামিকে কারাভোগ অথবা সামরিক বাহিনী থেকে বিতারিড়ত হতে পারে।








