বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ‘সুষ্ঠু বিচার’ নিশ্চিতের আহ্বান জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দফতরের এক মুখপাত্র বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা খালেদা জিয়ার সাজা সম্পর্কে অবহিত। এবং আমরা বাংলাদেশকে সুষ্ঠু বিচারের আহ্বান জানাচ্ছি।’
বৃহস্পতিবার জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ৫ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অপর আসামি তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ বাকি পাঁচ জনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে তাদের ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা জরিমানাও করা হয়েছে।
পররাষ্ট্র দফতরের ওই মুখপাত্র আরও জানান, দেশের এমন রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকা জরুরি। সরকারকে বাকস্বাধীনতার প্রতি সম্মান জানানোর আহ্বান জানায় তারা। তিনি বলেন, ‘আমরা সবসময় বাংলাদেশ সরকারকে মানবাধিকার ও বাকস্বাধীনতা নিশ্চিতের আহ্বান জানাই।’
জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় কুয়েত থেকে এতিমদের জন্য পাঠানো দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই সেনা নিয়ন্ত্রিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করে দুদক। ওই বছরই ৪ জুলাই মামলাটি গ্রহণ করেন আদালত। তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক হারুন-অর রশিদ ২০০৯ সালের ৫ আগস্ট বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমানসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে এ মামলায় অভিযোগপত্র দেন।
মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া বাকি আসামিরা হলেন, মাগুরার সাবেক এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, সাবেক মুখ্যসচিব কামালউদ্দিন সিদ্দিকী এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান। মামলার ছয় আসামির মধ্যে খালেদা জিয়া জামিনে রয়েছেন। মাগুরার সাবেক সাংসদ কাজী সালিমুল হক কামাল ও ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ কারাগারে আর তারেক রহমান, সাবেক মুখ্য সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান পলাতক।








