ইয়েমেনে যু্দ্ধ থেকে যু্ক্তরাষ্ট্রকে সরিয়ে আনতে চায় দেশটির সিনেটররা।এই বিষয়ে ভোটাভুটির পরিকল্পনা করছেন তারা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, রিপাবলিকান সিনেটর মাইক লি, স্বতন্ত্র বার্নি স্যান্ডার্স ও ডেমোক্রেট ক্রিস মার্ফি জানিয়েছেন যে ১৯৭৩ যুদ্ধ ক্ষমতা আইনের মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে বিদেশি এই সহিংসতা থেকে সরিয়ে আনার চেষ্টা করবেন।
এই ঘটনায় সামরিক বাহিনীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে আবারও হোয়াইট হাউস ও কংগ্রেসের দ্বন্দ্ব সামনে এল। বার্নি স্যান্ডার্স বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি কংগ্রেস কোনও যুদ্ধ ঘোষণা করেনি। ইয়েমেন আমাদের অংশগ্রহণ অসাংবিধানিক ও অননুমোদিত।’
অনেকদিন ধরেই দেশটির আইনপ্রণেতাদের অভিযোগ হোয়াইট হাউসকে সামরিক বাহিনী ব্যবহারের বেশি ক্ষমতা দিয়েছে কংগ্রেস। সংবিধান অনুযায়ী যুদ্ধ ঘোষণার এখতিয়ার শুধু কংগ্রেসের আছে প্রেসিডেন্টের নয়।
ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান প্রেসিডেন্টরা বলেছেন, আল কায়েদার বিরুদ্ধে লড়াই আফগান যুদ্ধকে ও আইএসের বিরুদ্ধে লড়াই সিরিয়া যুদ্ধকে বৈধতা দিয়েছে। তবে সিনেটরদের অভিযোগ, ইয়েমেনে এমন কোনও নিয়ম প্রয়োগ করা যায়নি।
প্রস্তাবনাটি কংগ্রেসে কিভাবে আনা হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। রিপাবিলকান সিনেট মুখপাত্র মিচ ম্যাককনেলও কোনও মন্তব্য করেননি।
২০১৫ সালের মার্চে সৌদি নেতৃত্বাধীন হামলা শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বহু মসজিদ ধ্বংস হয়েছে। এ সময়ে নিহত হয়েছে অন্তত ১৩ হাজার ছয়শ' ইয়েমেনি। এছাড়া দেশটির অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এই সামরিক অভিযানকে সমর্থন করে যুক্তরাষ্ট্র। তারা বিমানগুলোকে তেল সরবরাহ করে। স্থলসেনাদের গোয়েন্দা তথ্যও দেয় যুক্তরাষ্ট্র।








