সিরিয়ায় আফরিনে সরকারপন্থী বাহিনী ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে তুরস্ক। এতে বাহিনীটির কমপক্ষে ৩৬ জন নিহত হয়েছে। সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটসে বরাত দিয়ে মধ্যপ্রাচ্য পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ সংস্থা মিডলইস্ট মনিটর এ খবর জানিয়েছে।
কুর্দি ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের সহায়তার জন্য আফরিনে প্রবেশ করে সিরিয়ার সরকারপন্থী বাহিনী। অবজারভেটরির পক্ষ থেকে বলা হয়, আফরিনের কারফ জিনা এলাকায় একটি ঘাঁটিতে ২৪ ঘণ্টায় তৃতীয়বারের মতো বিমান হামলা চালায় তুরস্ক। এতে সরকারি বাহিনীর কমপক্ষে ৩৬ সদস্য নিহত হয়েছে।
ওয়াইপিজি মিলিশিয়াদের মিত্র সিরিয়ান ডেমোক্র্যাটিক ফোর্স (এসডিএফ) এক বিবৃতিতে বলেছে, সিরীয় সেনাবাহিনীকে লক্ষ্য করে ভোর ৫টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত বিমান হামলা চালানো হয়। তবে ওই বিবৃতিতে নিহতের সংখ্যা বলা হয়নি।
তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী বিনালি ইনদ্রিম বলেন, তার দেশের বাহিনী কুর্দিদের কাছ থেকে রাজো শহরের দখল নিয়েছে। তুর্কি বাহিনী শহরটির ৭০ শতাংশ এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। শহরটি আফরিন নগরী থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত।
এসডিএফ’র বিবৃতিতে বলা হয়, তুর্কি বাহিনীর একটি দল ও তাদের সিরীয় মিত্ররা রাজো শহরে অনুপ্রবেশ করেছে। সেখানে এসডিএফ সদস্যদের সঙ্গে তাদের তুমুল লড়াই চলছে।
গত ২০ জানুয়ারি থেকে কুর্দি বিদ্রোহীদের বিতাড়িত করতে আফরিনে অভিযান শুরু করে আঙ্কারা।কুর্দিস্তান ওয়ার্কাস পার্টিকে (ওয়াইপিজি) সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচনা করে আঙ্কারা। কুর্দিস্তান ডেমোক্র্যাটিক পার্টির সশস্ত্র এই শাখাটির হাতে রয়েছে তুরস্কের সীমান্তবর্তী সিরিয়ার শহর আফরিনের নিয়ন্ত্রণ। সেখান থেকে তাদের বিতাড়িত করতেই আফরিনে ‘অপারেশন অলিভ ব্রাঞ্চ’ নামে তুরস্কের এই অভিযান।








