বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা ভারতীয় সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলো নিশ্ছিদ্র করার কথা ভাবছে দিল্লি। ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর মহাপরিচালক কে কে শর্মা জানিয়েছেন, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে তাদের বেশকিছু সীমান্ত ইলেকট্রনিক নজরদারির আওতায় আসছে। বার্তা সংস্থা প্রেস ট্রাস্ট অব ইন্ডিয়াকে (পিটিআই) দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, একটি সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (সিআইবিএমএস) চালুর মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সামগ্রিক সীমান্তকে নজরদারির আওতায় আনবেন তারা। পিটিআই-এ প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারকে উদ্ধৃত করে ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে চায় ভারত।
বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সংলগ্ন সীমান্তের বেশকিছু অঞ্চলে এরইমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করেছে ভারত। তবে দুই দেশের সঙ্গেই তাদের এমন কিছু সীমান্ত আছে যেখানে প্রাকৃতিক কারণেই বেড়া স্থাপন, অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের ওপর নজরদারি সম্ভব নয়। রবিবার ইকোনমিক টাইমস পিটিআইকে দেওয়া বিএসএফ-এর মহাপরিচালক কে কে শর্মাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ওই সীমান্ত অঞ্চলগুলোতেই সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি (সিআইবিএমএস) চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে ভারত। শর্মা বলেন, ভূখণ্ড জনিতে কারণে যেখানে তা পারা যাবে না সে সমস্ত এলাকাকে সিআইবিএমএস এর আওতায় আনা হবে। এই মুহূর্তে সিআইবিএমএস প্রজেক্ট বাংলাদেশ ও পাকিস্তান সীমান্তের স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে এটি চালু করা হবে।
এখন পাকিস্তানের জম্মু সীমান্তের দুটি পাঁচ কিলোমিটার রাস্তা ও আসামের ধুবরিতে বাংলাদেশ সীমান্তে সিআইবিএমএস এর পাইলট প্রজেক্ট চলছে। এটি (সিআইবিএমএস) এমন এক পদ্ধতি যাতে ছোট ছোট যন্ত্রপাতি, প্রযুক্তির মাধ্যমে সীমান্ত এলাকায় ইলেকট্রনিক নজরদারি নিশ্চিত করা যায়। এই পদ্ধতিতে সীমান্তের আউটপোস্টগুলোতে স্থাপন করা মনিটরের মাধ্যমে সেখানে দায়িত্বরত বিএসএফ জওয়ানরা সীমান্ত এলাকার নজরদারির ধারাবাহিক তথ্য পেতে থাকবেন। কে কে শর্মা জানান, যে কোনও হুমকির ক্ষেত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে বিএসএফ জওয়ানরা সমস্যার সমাধান করবেন।








