গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে সাত ফিলিস্তিনি নিহত

বিদেশ ডেস্ক
১৪ মে ২০১৮, ১৭:০৯আপডেট : ১৪ মে ২০১৮, ২০:০০

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলি দখলদার বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে সাত ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এছাড়া ইসরায়েলের আগ্নেয়াস্ত্র ও কাঁদানে গ্যাসের আঘাতে আরও পাঁচ শতাধিক ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। সোমবার গাজার ইসরায়েলি সীমান্ত বেষ্টনির কাছে কয়েক স্থানে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে। 

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে সাত ফিলিস্তিনি নিহত

‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে সোমবার সকাল থেকেই গাজা উপত্যকার ফিলিস্তিনিরা ইসরায়েলি সীমান্ত অতিক্রম করার চেষ্টা করেন। এই বিক্ষোভে প্রায় লাখ খানেক ফিলিস্তিনি অংশ নেন। স্থানীয় সাংবাদিক মারাম হুমাইদ আল জাজিরাকে বলেন, গত সাত সপ্তাহের বিক্ষোভের চেয়ে এই দিনে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।

ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বরাত দিয়ে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, গাজা সীমান্তে আন্দোলনের সময় ইসরায়েলি বাহিনী গুলিতে কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছেন। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এসব হামলায় কমপক্ষে আরও ৫০০ ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অন্তত ৩৫ জন গুলিবিদ্ধ রয়েছেন।

১৯৪৮ সালের ১৫ মে হাজার হাজার ফিলিস্তিনিকে নিজ বাড়ি-ঘর থেকে উচ্ছেদ করে ইসরায়েলি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। ফিলিস্তিনিরা দিনটিকে ‘নাকবা’ বা বিপর্যয় দিবস হিসেবে পালন করে থাকে। এবার নাকবা দিবসে নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যাওয়ার অধিকার আদায়ের দাবি নিয়ে আন্দোলনের নেমেছেন ফিলিস্তিনিরা। গাজা উপত্যকার প্রায় ৭০ শতাংশ বাসিন্দা ওই ঘটনায় বিতাড়িত হয়ে নিজেদের মাতৃভূমি হারিয়েছেন।

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে কমপক্ষে সাত ফিলিস্তিনি নিহত

নাকবা দিবস ছাড়াও জেরুজালেমে মার্কিন দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদ জানাতেও এই বিক্ষোভে অংশ নিতে ফিলিস্তিনের বাসিন্দারা। জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার ধারাবাহিকতায় দেশটি সেখানে তাদের দূতাবাস স্থানান্তর করছে। দূতাবাস স্থানান্তরের ঘটনায় ফিলিস্তিনিদের মধ্যে আরও বেশি ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দূতাবাস স্থানান্তরের প্রতিবাদে পশ্চিম তীরের রামাল্লা ও হেবরন শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

গত ৩০ মার্চ ‘গ্রেট মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলন শুরু হওয়ার পর ইসরায়েলি বাহিনীর গুলিতে এ পর্যন্ত কমপক্ষে ৫৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন সাড়ে ৮ হাজারের বেশি মানুষ। সূত্র: আল জাজিরা, রয়টার্স।

/আরএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম