জেরুজালেম সবসময়ই ফিলিস্তিনের রাজধানী: আহেদ তামিমি

বিদেশ ডেস্ক
৩০ জুলাই ২০১৮, ১৪:৩৩আপডেট : ৩০ জুলাই ২০১৮, ১৪:৩৫

সদ্য কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনি বীরকন্যা আহেদ তামিমি ইসরায়েলি দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে সব ধরনের লড়াইয়ে সংহতি প্রকাশ করেছেন। জেরুজালেমকে ফিলিস্তিনের রাজধানী উল্লেখ করে তিনি বলেছেন, সবসময়ই এটি ফিলিস্তিনেরই রাজধানী থাকবে। কারামুক্তির পর নিজ গ্রামে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন ফিলিস্তিনি প্রতিরোধের প্রতীকে পরিণত হওয়া তামিমি।

সংবাদ সম্মেলনে আহেদ তামিমি

ডিসেম্বরের মাঝামাঝি ইসরায়েলি দখলদারিত্বের প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেনাদের গালে থাপ্পড় মেরে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের জীবন্ত প্রতীকে পরিণত হন তামিমি। তাকে ইসরায়েলের কারাগারে নেওয়া হয়। মার্চে সামরিক আদালতে তার বিরুদ্ধে ঘোষিত হয় জরিমানাসহ আট মাসের কারাদণ্ড। সে হিসেবে ১৯ ডিসেম্বর থেকে কারাগারে থাকা তামিমির মুক্তি পাওয়ার কথা ১৯ আগস্ট। তবে বিশেষ মূল্যায়নে ইসরাইলি কারা কর্তৃপক্ষ কারও কারা মেয়াদ কমিয়ে আনতে পারেন। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে গতকাল ২৯ জুলাই রবিবার তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।

ইসরায়েলি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর পশ্চিম তীরের নবী সালেহ গ্রামে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আহেদ তামিমি গাজা উপত্যকা ও খান আল আহমার এলাকায় দখলদারির বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করেন। সংবাদ সম্মেলনে আহেদ তার সঙ্গে জেলে থাকা তার মা নারিমানকেও ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, দৃঢ়চেতা থাকার বিষয়ে তার সক্ষমতাই আমাকে প্রতিরোধ অব্যাহত রাখতে সহায়তা করেছে।

খাল আল আহমার পশ্চিম তীরের একটি বেদুইন গ্রাম। ইসরায়েলি বাহিনী গ্রামটি উৎখাতের চেষ্টা করলে সেখানে বিক্ষোভ দেখা দেয়। তামিমি বলেন, আমি আবারও পুনর্ব্যক্ত করছি যে, জেরুজালেম ফিলিস্তিনের রাজধানী আর সবসময় তাই থাকবে। ১৯৬৭ সালে জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকে তারা জেরুজালেমকে তাদের রাজধানী হিসেবে দাবি করে আসলেও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তার বৈধতা দেয়নি।

গত বছরের ৬ ডিসেম্বর বুধবার জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। চলতি বছরের মে মাসে জেরুজালেমে এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ট্রাম্পের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে মার্কিন প্রশাসন। প্রতিবাদে ফিলিস্তিনসহ বিশ্বব্যাপী নিন্দার ঝড় ওঠে। এরপর জেরুজালেম বিষয়ে যেকোনও সিদ্ধান্ত অকার্যকর ঘোষণা করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদেও প্রস্তাব পাস করা হয়।

/আরএ/বিএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম