ইয়েমেনে স্কুল বাসে হামলায় নিহত ৪৩, অভিযোগ সৌদি জোটের বিরুদ্ধে

বিদেশ ডেস্ক
০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৭:১৮আপডেট : ০৯ আগস্ট ২০১৮, ১৭:২৫
image

ইয়েমেনে শিশুদের বহনকারী এক স্কুল বাসে হামলার ঘটনায় বহু বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, হামলায় অন্তত ৪৩ জন নিহত আর ৬১ জন আহত হয়েছে। সেখানকার রেড ক্রিসেন্ট কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা গেছে, হতাহতদের বেশিরভাগই শিশু। এদের অনেকেরই বয়স ১০ বছরের নিচে। হামলাটি সৌদি-আমিরাত সামরিক জোটের বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এ ব্যাপারে এখনও ওই জোটের আনুষ্ঠানিক মন্তব্য জানা যায়নি।


ইয়েমেনি টেলিভিশনে প্রচারিত ভিডিও থেকে নেওয়া হামলায় আহত শিশুর ছবি তিন বছর আগে ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট মনসুর হাদিকে উচ্ছেদ করে রাজধানী দখলে নেয় ইরান সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীরা। সৌদি রাজধানী রিয়াদে নির্বাসনে যেতে বাধ্য হন হাদি। আল-জাজিরার খবর থেকে জানা গেছে, হুথি-বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত শাদা প্রদেশের দাহান শহরের এক ব্যস্ততম বাজারে ওই হামলা চালানো হয়। ‘বাসটি বাজারে ঢুকতেই সৌদি জোটের নিশানা হয়’ আল-জাজিরাকে বলেছেন সেখানকার স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ইয়েমেন পোস্টের সম্পাদক হাকিম মাসমারি। আল-জাজিরা অবশ্য নিজস্ব অনুসন্ধানে হতাহতের সংখ্যা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে পারেনি এখনও। শাদা প্রদেশের স্বাস্থ্য বিভাগের প্রধান কর্মকর্তা ঘানি নায়েব রয়টার্সকে হতাহতের সংখ্যা নিশ্চিত করেন।

হুথি-সমর্থিত টেলিভিশন নেটওয়ার্ক আল মাছিরার খবরে অভিযোগ করা হয়েছে, সৌদি-আমিরাত জোটের বিমান হামলাতে ওই বাসটি আক্রান্ত হয়। সেখানে ইন্টারন্যাশনাল কমিটি অব রেড ক্রিসেন্ট- আইসিআরসি’র শীর্ষ কর্মকর্তা  জোহানেস ব্রুওয়ার টুইটার পোস্টে লিখেছেন, ‘হতাহতদের বেশিরভাগই শিশু, যাদের বয়স ১০ বছরের নিচে।
হামলাস্থলের ধোয়ার ছবি

বাসে হামলার কিছু সময় পরে রাজধানী সানাতেও বেশকিছু বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেইসব বিস্ফোরণে কেউ হতাহত হয়েছে কিনা, নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

হুথিদের ক্ষমতা দখলের পর থেকেই হাদির অনুগত সেনাবাহিনীর একাংশ হুথিদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করে। ২০১৫ সালের মার্চে হুথি বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে মিত্রদের নিয়ে ‘অপারেশন ডিসাইসিভ স্টর্ম’ নামে সামরিক অভিযান শুরু করে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাত। সৌদি জোটের অভিযান শুরুর পর এপর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। এদের মধ্যে ২২০০ শিশু রয়েছে।

/বিএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম