সিরিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে জঙ্গিগোষ্ঠী আইএস অন্তত ২৭ জনকে জিম্মি করে রেখেছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ। সংস্থাটি জানায়, সুইদা মরুভূমিতে তাদের জিম্মি করে রাখা হয়।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার জানায়, অপহৃতদের মধ্যে বেশিরভাগই দ্রুজ সম্প্রদায়ের। ৭ থেকে ১৫ বছর বয়সী অন্তত ১৬ জন শিশুও জিম্মিদের মধ্যে রয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানায়, আইএস বেসামরিকদের জিম্মি করে আসাদ সরকার ও রাশিয়াদের সঙ্গে সমঝোতায় আসতে চাইছে। সংস্থাটির মধ্যপ্রাচ্য বিষয়ক উপপরিচালক লামা ফাইখ বলেন, এক মাস ধরেই তাদের জিম্মি রাখা হয়েছে। তাদের পরিবাররা মুক্তির দাবি জানিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বলেন, বেসামরিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। আইএসকে অবশ্যই অবিলম্বে তাদের ছেড়ে দেওয়া উচিত।
এর আগে জুলাইয়ে অনেক গ্রামে শিশুদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিলো। কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানায়, ওই হামলায় ৫৭ জন নিহত হয়। আর ২৭ জনকে জিম্মি করে আইএস।
জিম্মি করার পর জঙ্গিগোষ্ঠীটি এক ভিডিওর মাধ্যমে অপহৃত নারীদের দেখায়। তারা দাবি করে, সিরীয় সরকার ইয়ার্মুকে অভিযান বন্ধ না করলে অপহৃত বেসামরিকদের হত্যা করা হবে। জিম্মি করার কিছুদিন পর জায়া নামে এক নারীর মৃত্যুর খবরও পাওয়া যায়।
২০১৪ সালে সিরিয়া ও ইরাকের বিস্তৃত অঞ্চল থেকে সরকারি বাহিনীকে সরিয়ে দিয়ে ‘খেলাফত’ ঘোষণা করে আইএস নেতা আবু বকর আল-বাগদাদি। তবে বিগত কয়েকমাসে ব্যাপক সামরিকস ক্ষয়ক্ষতির মুখে পড়েছে সংগঠনটি। ইরাক ও সিরিয়ায় নিয়ন্ত্রিত বিস্তৃত অঞ্চলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে তারা। তবে ছোট ছোট কিছু এলাকায় এখনও নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে তারা।








