রাজনীতিতে ‘অপমান ও মিথ্যে বাদানুবাদ’ নিয়ে নিন্দায় ওবামা

বিদেশ ডেস্ক
০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:২০আপডেট : ০২ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১৭:২৬
image

যুক্তরাষ্ট্রের রাজনীতিতে ‘অপমান ও মিথ্যে বিতর্কের’ সংস্কৃতির নিন্দা জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) ওয়াশিংটনে রিপাবলিকান সিনেটর জন ম্যাককেইনের শেষকৃত্যে দেওয়া বক্তব্যে এ নিন্দা জানান তিনি। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে।

ম্যাককেইনের শেষকৃত্যে বক্তব্য রাখছেন ওবামা
জন ম্যাককেইনকে ২০০৮ সালে রিপাবলিকান পার্টি তাদের প্রেসিডেন্ট প্রার্থী মনোনীত করেছিল। ম্যাককেইন তার রাজনৈতিক জীবনে মার্কিন সিনেটের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ৮১ বছর বয়সে ক্যান্সারে ভুগে গত সপ্তাহে মৃত্যুবরণ করেন ম্যাককেইন। ১ সেপ্টেম্বর, শনিবার তার শেষকৃত্য আয়োজিত হয়।

পতাকায় ঢাকা ম্যাককেইনের কফিনের সামনে দাঁড়িয়ে শোক বক্তব্য রাখেন ডেমোক্র্যাট দলীয় সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা। রাজনীতিতে অপবাদ ও ভুয়া বিতর্কের উপস্থিতির নিন্দা জানান তিনি। ওবামা বলেন: ‘আমাদের রাজনীতি, জনজীবন, আমাদের পাবলিক ডিসকোর্সের অনেকাংশেই বাগাড়ম্বর, অপমান ‌এবং বানোয়াট বিতর্ক ও কৃত্রিমভাবে ক্ষোভ নির্মাণ করতে দেখা যায়। রাজনীতি হলো এমন এক জিনিস যা সাহসী ও কঠোর হওয়ার ভান করে, কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এর জন্ম ভীতির ওপর ভিত্তি করে। জন আমাদেরকে এর ঊর্ধ্বে ওঠার আহ্বান জানিয়েছিলেন। সেখান থেকে অপেক্ষাকৃত ভালো হওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি।’

দ্য গার্ডিয়ান জানায়, বক্তব্য দেওয়ার সময় একবারও বর্তমান মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম উচ্চারণ করেননি ওবামা। ম্যাককেইনের শেষকৃত্যেও উপস্থিত ছিলেন না ট্রাম্প।

উল্লেখ্য, রিপাবলিকান পার্টিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সবচেয়ে কড়া সমালোচকদের একজন ছিলেন সিনেটর ম্যাককেইন। তিনি ভিয়েতনাম যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলেন। সেখানে আটক হয়ে যাওয়ায় পাঁচ বছর ধরে বন্দি ছিলেন। ট্রাম্প তার ওই আটক হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। তার ভাষ্য ছিল,‘তিনি হিরো কারণ তিনি ধরা পড়েছিলেন। আমি এমন মানুষদের পছন্দ করি যারা ধরা দেয় না।’ এর সমালোচনায় সাবেক যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে সমালোচনা করে বলা হয়েছে, ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় যাদের অর্থ ছিল তারা ডাক্তারের ভুয়া সনদ ব্যবহার করে যুদ্ধে যাওয়ার দায়িত্ব এড়িয়ে গেছে। 

/এফইউ/
সম্পর্কিত
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
পারমাণবিক অস্ত্র ত্যাগে ‘ইতোমধ্যে রাজি হয়েছে’ ইরান: ট্রাম্প
সর্বশেষ খবর
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
সত্যি কি বাংলাদেশের শ্রমিকদের জোরপূর্বক কাজ করানো হয়
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
জয়পুরহাটে বজ্রাঘাতে প্রাণ হারালেন ২ জন
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
শিশু রামিসা হত্যা মামলার যুক্তিতর্ক আজ, জানা যাবে রায়ের তারিখ
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
যেখানে সকালে বারান্দায় এলেই দেখা মেলে জোড়া রংধনুর
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম