লিবিয়ায় শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে দুই পক্ষ

বিদেশ ডেস্ক
০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:০৬আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ১০:১৩

লিবিয়ায় সশস্ত্র প্রতিপক্ষরা শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটিতে অবস্থিত জাতিসংঘ মিশন। মঙ্গলবার ত্রিপোলিতে এক সমঝোতায় পৌঁছায় দুই পক্ষ। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

লিবিয়ায় শান্তিচুক্তিতে পৌঁছেছে দুই পক্ষ ২০১১ সালে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায় লিবিয়ার সাবেক নেতা মুয়াম্মার গাদ্দাফি ক্ষমতাচ্যুত ও নিহত হওয়ার পর ত্রিপোলিতে জাতিসংঘের সমর্থনে একটি মনোনীত সরকার রয়েছে। ওই কর্তৃপক্ষকে জাতীয় চুক্তির সরকার বা জিএনএ নামে অভিহিত করা হয়। তবে দেশের বেশিরভাগ অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ বিভিন্ন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর হাতে রয়ে গেছে।

গত এক সপ্তাহে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। রাজধানী ত্রিপোলিতে সশস্ত্র হামলা করতে থাকে তারা। এসময়ে নিহত হয় ৬১ জন, আহত হয় অনেকে।  

লিবিয়ায় জাতিসংঘের মিশন জানায়, ‘জাতিসংঘের বিশেষ দূত জিহাসান সালামের উপস্থিতিতে সবরকম সহিংসতা বন্ধ, জনগণের নিরাপত্তা ও বেসামরিকদের সুরক্ষায় একটি শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।

২৭ আগস্ট ত্রিপোলিতে সংঘর্ষ শুরু হয়। একদিন পরে জাতিসংঘ সমর্থিত একটি শান্তিচুক্তি সম্পন্ন হলেও কিছুক্ষণ পর আবার হামলা শুরু হয়। রবিবার জারি করা হয় জরুরি অবস্থা।

এরপর সোমবার ত্রিপোলিতে ফেসবুক বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো জানায়, নিরাপত্তার স্বার্থে তাদের স্টেশন চালু রাখা যাচ্ছে না।   

দীর্ঘ সময় ধরে লিবিয়া শাসন করা কর্নেল মুয়াম্মার গাদ্দাফিকে ২০১১ সালের অক্টোবরে ক্ষমতাচ্যুত করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোট। বেসামরিক ব্যক্তিদের রক্ষার নামে চালানো হামলায় মুয়াম্মার গাদ্দাফি নিহত হলে দেশটি এক বিশৃঙ্খল অবস্থায় পড়ে। বিভিন্ন সশস্ত্র গ্রুপ নিজেদের সরকার ও পার্লামেন্ট গঠন করে। আর একে কেন্দ্র করে রক্তক্ষয়ী গৃহযুদ্ধে লিপ্ত হয়। ২০১৬ সালে জাতিসংঘের সমর্থনে মনোনীত জিএনএ কর্তৃপক্ষ ত্রিপোলির নিয়ন্ত্রণ নেয়।

 

/এমএইচ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
সর্বশেষ খবর
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
মূল্যস্ফীতির আগুনে পুড়ছে মানুষ, বাড়ছে বিদ্যুতের দাম এরপর কী
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
থানায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকে নির্যাতনের অভিযোগ, ৩ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
কট্টরপন্থি ইহুদিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নেতানিয়াহুর
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সংকোচে বিহ্বল নয়, আত্মবিশ্বাসে দৃপ্ত হোক নারী-কিশোরী 
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম