সত্য গোপনের দায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক প্রচারণা সহকারী জর্জ পাপাডোপোউলোসকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর কাছে তিনি সত্য গোপন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই সাবেক সহকারীর বিরুদ্ধে রুশ সংযোগেরও অভিযোগ আছে। মার্কিন জেলা বিচারক র্যান্ডল্ফ মোস বৈদেশিক নীতি বিষয়ক সহকারীকে ১৪ দিনের এই কারাদণ্ডাদেশ দেন।
জানা যায়, বিচারকের সামনে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন এবং তার কৃতকর্মের জন্য গভীর অনুতপ্ত বলেও জানান। বিচারকের সামনে তিনি বলেন, ‘তিনি এমন একটি তদন্তে সত্য গোপন করেন যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।’
হোয়াইট হাউসের স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারের নেতৃত্বে ১৬ মাস ধরে চলা দীর্ঘ তদন্তে পাপাদোপউলোসকে নিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হলো। আর মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ট্রাম্পের দুজন সাবেক শীর্ষ সহকারী এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন।
এদিকে ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই মামলার ব্যয় নিয়ে বিদ্রুপ করে ট্রাম্প বলেন, ‘১৪ দিনে এই মামলার পেছনে ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে, দিনে ২০ লাখ মার্কিন ডলার। অথচ তেমন কোন ষড়যন্ত্রের ঘটনাই ছিল না এটা। কিন্তু তাদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে আমেরিকার জন্য একটি বিরাট সাফল্য বয়ে এনেছেন তারা!’
তবে সিনেট ইন্টিলিজেন্স কমিটির সিনিয়র ডেমোক্র্যাট নেতা ও সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার মলারের কাজের প্রশাংসা করেছেন। এই কমিটি আলাদাভাবে এই ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও তার মিত্রদের অব্যাহত বিভিন্ন ধরনের আক্রমণ সত্ত্বেও স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলার ও তার দল আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে তারা আন্তরিকতা ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে ২০১৬ সালের নির্বাচনকালে ট্রাম্পের প্রচারণাকারীদের সঙ্গে রাশিয়ার যোগসাজশের ঘটনাটি তদন্ত করেছেন।’








