তথ্য গোপনের দায়ে ট্রাম্পের সাবেক সহযোগীর কারাদণ্ড

বিদেশ ডেস্ক
০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০১:১০আপডেট : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮, ০১:১৭

সত্য গোপনের দায়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক প্রচারণা সহকারী জর্জ পাপাডোপোউলোসকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড দিয়েছে দেশটির আদালত। মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই-এর কাছে তিনি সত্য গোপন করেছিলেন। সংবাদমাধ্যম নিউ ইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।

ট্রাম্পের সাবেক প্রচারণা সহকারী জর্জ পাপাডোপোউলোস

প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্পের এই সাবেক সহকারীর বিরুদ্ধে রুশ সংযোগেরও অভিযোগ আছে। মার্কিন জেলা বিচারক র‌্যান্ডল্ফ মোস বৈদেশিক নীতি বিষয়ক সহকারীকে ১৪ দিনের এই কারাদণ্ডাদেশ দেন।

জানা যায়, বিচারকের সামনে তিনি অপরাধ স্বীকার করেন এবং তার কৃতকর্মের জন্য গভীর অনুতপ্ত বলেও জানান। বিচারকের সামনে তিনি বলেন, ‘তিনি এমন একটি তদন্তে সত্য গোপন করেন যা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ।’

হোয়াইট হাউসের স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলারের নেতৃত্বে ১৬ মাস ধরে চলা দীর্ঘ তদন্তে পাপাদোপউলোসকে নিয়ে দুজনের বিরুদ্ধে কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হলো। আর মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে ট্রাম্পের দুজন সাবেক শীর্ষ সহকারী এই অপরাধে দোষী সাব্যস্ত হলেন।

এদিকে ২০১৭ সাল থেকে শুরু হওয়া এই মামলার  ব্যয় নিয়ে বিদ্রুপ করে ট্রাম্প বলেন, ‘১৪ দিনে এই মামলার পেছনে ২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার ব্যয় হয়েছে, দিনে ২০ লাখ মার্কিন ডলার। অথচ তেমন কোন ষড়যন্ত্রের ঘটনাই ছিল না এটা। কিন্তু তাদের ভাব দেখে মনে হচ্ছে আমেরিকার জন্য একটি বিরাট সাফল্য বয়ে এনেছেন তারা!’

তবে সিনেট ইন্টিলিজেন্স কমিটির সিনিয়র ডেমোক্র্যাট নেতা ও সিনেটর মার্ক ওয়ার্নার মলারের কাজের প্রশাংসা করেছেন। এই কমিটি আলাদাভাবে এই ঘটনার তদন্ত করছে। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট ও তার মিত্রদের অব্যাহত বিভিন্ন ধরনের আক্রমণ সত্ত্বেও স্পেশাল কাউন্সেল রবার্ট মুলার ও তার দল আরও একবার প্রমাণ করেছেন যে তারা আন্তরিকতা ও পেশাগত দক্ষতার সঙ্গে ২০১৬ সালের নির্বাচনকালে ট্রাম্পের প্রচারণাকারীদের সঙ্গে রাশিয়ার যোগসাজশের ঘটনাটি তদন্ত করেছেন।’

/এমএইচ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম