সৌদি আরবে এ বছর সরকারি অভিযানে গ্রেফতার হওয়া মানবাধিকার কর্মীদের ওপর কারাগারে নির্যাতন ও যৌন নিপীড়ন চালানো হচ্ছে। জিজ্ঞাসাবাদের সময় এতোটাই নির্যাতন চালানা হচ্ছে যে, কেউ কেউ চলাফেরার সক্ষমতাও হারিয়ে ফেলছেন। যুক্তরাজ্যভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের নতুন এক প্রতিবেদন থেকে এ কথা জানা গেছে।
জাতীয় নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করা ও রাষ্ট্রের শত্রুদের সহযোগিতা করার দায়ে গত মে মাস থেকে ১০ জন নারী ও ৭ জন পুরুষ মানবাধিকার কর্মীকে আটক করে রেখেছে সৌদি আরব। এর মধ্যে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পক্ষে সোচ্চার থাকা তিন মানবাধিকার কর্মীও রয়েছেন। তারা হলেন, লুজাইন আল হাথলুল, ইমান আল নাফজান ও আজিজা আল ইউসেফ। গত জুনে সৌদি নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে নেওয়া হলেও তাদেরকে আটক রাখা হয়েছে। পশ্চিমাঞ্চলীয় রেড সী উপকূলে অবস্থিত ধাবান কারাগারে রাখা হয়েছে তাদের।
মঙ্গলবার (২০ নভেম্বর) অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, আটক থাকা মানবাধিকার কর্মীদের ওপর নানা নির্যাতন চালানো হচ্ছে। তাদেরকে ধারাবাহিকভোবে ইরেক্ট্রিক শক দেওয়া হচ্ছে ও মারধর করা হচ্ছে। নির্যাতনের শিকার হওয়াদের কেউ কেউ দাঁড়ানো কিংবা হাঁটার সক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন।
তিনজন পৃথক পৃথক সাক্ষীর ভাষ্যকে উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনটি তৈরি করার কথা জানিয়েছে অ্যামনেস্টি। প্রতিবেদন থেকে আরও জানা গেছে, জিজ্ঞাসাবাদের সময় কমপক্ষে একজন মানবাধিকারকর্মীকে ছাদ থেকে ঝুলানো হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদকারীরা মুখোশ পরিহিত অবস্থায় অপর এক নারী মানবাধিকার কর্মীর ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছে।








