তুর্কি প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের সঙ্গে দেখা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কাভুসোগলু বলেন, এরদোয়ানকে ফোনে অনুরোধ করেছিলেন যে বুয়েন্স এইরেসে তাদের সাক্ষাত সম্ভব কি না। এরদোয়ান জবাবে বলেছেন দেখা যাক।’
আগামী ৩০ নভেম্বর থেকে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স আয়ার্স শহরে শিল্পোন্নত ২০টি দেশের জোট (জি টুয়েন্টি) এর দুইদিনব্যাপী ১৩তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। গত বৃহস্পতিবার (২২ নভেম্বর) তুরস্কের সংবাদমাধ্যম হাবের-এর এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এরদোয়ান ওই সম্মেলনে সৌদি যুবরাজ বা সৌদি কোনও কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন না।
এবারও কাভুসোগলু বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে যুবরাজের সঙ্গে দেখা করার কোনও কারণই নেই।
৫৯ বছর বয়সি খাশোগি এক সময় সৌদি রাজপরিবারের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি থাকলেও সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি যুবরাজের কঠোর সমালোচকে পরিণত হন। গ্রেফতার এড়াতে দুই বছর আগে যুক্তরাষ্ট্রে স্বেচ্ছা নির্বাচনে চলে যান খাশোগি। দ্বিতীয় বিয়ের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করতে গত ২ অক্টোবর ইস্তানবুলের সৌদি কনস্যুলেটে গিয়ে হত্যার শিকার হন খাশোগি। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে খাশোগিকে হত্যার কথা স্বীকার করে সৌদি আরব জানায়, ইস্তানবুলের কনস্যুলেটে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে খুন হন সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগি। এ ঘটনায় সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগও ওঠে। তবে সৌদি কর্তৃপক্ষ সে অভিযোগ নাকচ করে আসছে। তুর্কি প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান খাশোগি হত্যার ঘটনায় সরাসরি সৌদি যুবরাজকে দায়ী না করলেও তিনি দাবি করেছেন, সৌদি আরবের ‘শীর্ষ পর্যায়’ থেকে হত্যার নির্দেশ এসেছে।
কাভুসোগলুও বলেছেন, হত্যাকারীরা কারও নির্দেশ ছাড়া কাজ করেনি। কিন্তু প্রমাণ ছাড়া আমরা কিছুই বলতে পারি না। তবে এটা অবশ্যই পূর্বপরিকল্পিত ছিলো।








