সিরিয়ায় শরণার্থী শিবির থেকে তিন এতিম শিশুকে আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন। তিনি বলেন, আইএস জঙ্গির সন্তানদের আশ্রয় দিয়ে তিনি কর্মকর্তাদের বিপদে ফেলতে চান না।
২০১৭ সালে খালেদ শারুফের নাগরিকত্ব কেড়ে নেওয়া হয়। ২০১৪ সালে সিরীয় সেনার বিচ্ছিন্ন মাথা হাতে একটি ছবি প্রকাশ করেন তিনি। সে বছরই স্ত্রী সন্তানসহ সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। ২০১৫ সালে অসুস্থতায় তার স্ত্রী মারা যায়। ২০১৭ সালে রাকায় বিমান হামলায় দুই ছেলেসহ শারুফ নিহত হন।
অস্ট্রেলিয়া ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন জানায়, শারুফের পাঁচ সন্তানের তিনজন বেঁচে আছেন। ১৭ বছর বয়সী জয়নব, ১৫ বছর বয়সী হোডা এবং ৮ বছর বয়সী হামজা। মার্চের মাঝামাঝি সময় তারা বাঘুজ থেকে পালিয়ে আসেন। এর ম্যেধ জয়নবের ২ সন্তান রয়েছে ৩ বছর বয়সী আয়েশা এবং ২ বছর বয়সী ফাতিমা। জয়নব এখন গর্ভবতী। তাদের দাদী ক্যারেন নেটেলটন বলেন, তিনি খুবই উদ্বিগ্ন। ক্যাম্পেই তার সন্তান হয়ে যেতে পারে।
এর আগেও আইএসে যোগ দেওয়া অস্ট্রেলীয়দের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে দেশটির সরকার। সেই পথেই হাটলেন স্কট মরিসনও। আইএস জঙ্গি খালেদ শারাউফের সন্তানদের আশ্রয় দিতে অস্বীকৃতি জানালেন তিনি। বলেন, ‘আমি আমি একজন অস্ট্রেলিয়ানকেও ঝুঁকি মধ্যে ফেলতে চাই না।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইএস পরাজিত হওয়ার কারণে অস্ট্রেলিয়া চাইলে এই শরণার্থীদের ফিরিয়ে আনতে পারে এবং আনা উচিতও। সেভ দ্য চিলড্রেন অস্ট্রেলিয়ার ম্যাট টিংকলার বলেন, ফ্রান্সের মতো পদক্ষেপ নেওয়া উচিত অস্ট্রেলিয়াল। সম্প্রতি তারা সিরিয়া থেকে পাঁচজন এতিম শিশুকে ফিরিয়ে এনেছেন।
তিনি বলেন, আমরা নিশ্চিত করতে চাই, সিরিয়ায় আটকে পড়া শিশুরা যেন তাদের বাবা-মার অপরাধের শাস্তি না পায়। এটা পুরোপুরি অস্ট্রেলিয়া সরকারের হাতে। আমরা তাদের ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানাই।








