আফ্রিকার দেশ সুদানে প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছে হাজার হাজার মানুষ। শনিবার তারা দেশটির সেনা সদর দফতরেও হামলা চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছে নিরাপত্তা বাহিনী। গ্রেফতারও করা হয়েছে কয়েকজনকে।
দেশটিতে ৩০ বছর ধরে ক্ষমতায় আছেন ওমর আল বশির। ২০ বছর আগে জারি করা মার্কিন নিষেধাজ্ঞায় দেশটির অর্থনীতি মুখ থুবড়ে পড়েছে। বেড়ে গেছে জীবনযাত্রার ব্যয়। এই সংকট নিরসনে প্রেসিডেন্ট এর পদত্যাগের দাবিতে জড়ো হয়েছে হাজারো মানুষ। দেশটির সেনাবাহিনীকে এই আন্দোলনে যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে সদর দফতরে জড়ো হয় বিক্ষোভকারীরা। সেসময় ফ্রিডম ফ্রিডম, জাস্টিসসহ বিভিন্ন স্লোগন দিচ্ছিলেন তারা।
গত বছর সরকার ঘোষণা দেয় যে জ্বালানি তেল ও রুটির দাম বৃদ্ধি পাবে। মুদ্রাস্ফীতির কারণে সুদানের পাউন্ডের মানও অনেক কমে গেছে। এই পরিস্থিতেই রাস্তায় নেমে এসেছে সাধারণ মানুষ।
প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশিরের বিরুদ্ধে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগও রয়েছে। ২০০৯ ও ২০১৯ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত তার বিরুদ্ধে গণহত্যা ও যুদ্ধাপরাধের অভিযোগ আনে। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানাও জারি হয়েছে।








