সুদানে বিক্ষোভ অব্যাহতের ডাক, বিশৃঙ্খলতার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সেনাবাহিনীর

বিদেশ ডেস্ক
০১ মে ২০১৯, ০২:৩২আপডেট : ০১ মে ২০১৯, ০২:৩৬

দীর্ঘদিনের শাসক ওমর আল বশিরে পতনের পর সামরিক-বেসামরিক যৌথ সরকার গঠনের দাবিতে আবারও আন্দোলনের ডাক দিয়েছে সুদানের বিক্ষোভকারীদের নেতারা। সেনাবাহিনীর তরফে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আগামী ২ মে দেশটিতে লাখ লাখ মানুষের মিছিলের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার এ বিবৃতিতে বেসামরিক সরকারের দাবিতে আন্দোলনরত রাজনৈতিক দলগুলোর জোট এই মিছিলের ডাক দেয়। সুদানে বিক্ষোভ অব্যাহতের ডাক, বিশৃঙ্খলতার বিরুদ্ধে হুঁশিয়ারি সেনাবাহিনীর

রুটি ও জ্বালানির দাম বাড়ানো কেন্দ্র করে গত ডিসেম্বরে শুরু হওয়া ওই বিক্ষোভের মুখে গত ১১ এপ্রিল ক্ষমতাচ্যুত হন সুদানের দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির।  তাকে ক্ষমতাচ্যুত করে ক্ষমতা নেয় দেশটির সামরিক কাউন্সিল। তবে ক্ষমতা কাঠামো থেকে বশির ঘনিষ্ঠদের সরানো এবং বেসামরিক সরকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে সেনাকাউন্সিলের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ অব্যাহত থাকে। এর জের ধরেই শনিবার আলোচনায়  বসে দুই পক্ষ। ওই বৈঠকের পর  সামরিক কাউন্সিলের মুখপাত্র শামস এলদিন কাবাসি নির্বাচনের আগ পর্যন্ত দেশ পরিচালনায় একটি যৌথ কাউন্সিল প্রতিষ্ঠার বিষয়ে ঐক্যমত হওয়ার কথা জানালেও এখনও সেই সরকার গঠিত হয়নি। এমন প্রেক্ষাপটে জরুরি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে রাস্তা ফাঁকা রাখতে মঙ্গলবার আহ্বান জানায় সেনাবাহিনী।

তবে মূল আন্দোলনকারীদের গ্রুপ সুদানিজ প্রফেশনালস অ্যাসোসিয়েশনের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাজি আল আসাম মঙ্গলবার বলেন, সামরিক কাউন্সিল বেসামরিক কর্তৃপক্ষের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের বিষয়ে সিরিয়াস না। সময় ক্ষেপণের মাধ্যমে সামরিক কাউন্সিল ক্ষমতা বাড়াচ্ছে আর তা সুদানের বিপ্লবের জন্য বড় ধরণের বিপদের কারণ।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, আট বেসামরিক প্রতিনিধি ও সাত সামরিক কর্মকর্তার সমন্বয়ে গঠিত কাউন্সিলের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করুক বশিরকে ক্ষমতাচ্যুত করে দায়িত্ব নেওয়া সামরিক কাউন্সিল। তবে ক্ষমতাসীন সামরিক কাউন্সিল বলছে সাত সামরিক প্রতিনিধির সাথে তিন বেসামরিক প্রতিনিধির সমন্বয়ে দশ সদস্যের কাউন্সিল দেশ পরিচালনা করবে।

মঙ্গলবার সামরিক কাউন্সিলের ডেপুটি প্রধান জেনারেল মোহাম্মদ হামদান দাগালো সাংবাদিকদের বলেন, বিক্ষোভ আয়োজকদের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যেতে চায় সামরিক কাউিন্সল।  আমরা আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত তবে আজকের পর আর কোনও বিশৃঙ্খলা নয়।

/জেজে/
সম্পর্কিত
হাজার বছরের ‘পবিত্র’ গাছ মৃত্যুযাত্রায়, মর্মাহত পুরো গ্রাম
তলিয়ে যেতে পারে খুলনা ও কলকাতাসহ বিশ্বের ১৫ শহর
বিশ্বের সবচেয়ে ‘অপছন্দনীয়’ দেশ কোনগুলো
সর্বশেষ খবর
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
বিদ্যুতের দাম বাড়ায় শিল্প ও জ্বালানি খাতে উৎপাদন ব্যয় বাড়বে
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম