প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ফণীর বিভীষিকা এখনও পুরোপুরি কাটিয়ে উঠতে পারেনি ভারতের ওড়িশা রাজ্যের মানুষ। ২০১৯ সালের ৩ মে আঘাত হান ওই ঝড় লণ্ডভণ্ড করে পুরী ও ভুবনেশ্বরসহ রাজ্যের অধিকাংশ এলাকা। ইতোমধ্যেই মানবিক মমত্ববোধ নিয়ে দুর্গত এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে শিখ স্বেচ্ছাসেবীরা। কোনও রকম বাছবিচার বা বৈষম্য ছাড়াই সাধ্যমতো দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তারা। নিজেদের কর্মকাণ্ডের মধ্য দিয়ে রাজ্যের মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছে এসব স্বেচ্ছাসেবী।
পুরো রাজ্যের একাংশ অন্ধকারে ছেয়ে যাবে, খাবার ও পানির অভাব মানুষকে বিপন্ন করে তুলবে; এমন একটি দিন ওড়িশায় আসতে পারে, এমনটা হয়তো কেউ ভাবতেও পারেনি। কিন্তু প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় যেন সব হিসাব নিকাশ উল্টে দিলো। প্রকৃতির ক্ষমতা আসলে কতটা ব্যাপক তা-ই যেন চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিলো ফণী।
এই দুর্যোগ পরবর্তী সময়ে দুর্গত মানুষকে প্রয়োজনীয় সহায়তা দিতে কাজ করছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিখ ধর্মাবলম্বীদের স্বেচ্ছাসেবক সংস্থা ‘খালসা এইড ইন্টারন্যাশনাল’। তাদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণসহ অতি দরকারি নানা সেবা দিচ্ছে সংস্থাটি।
দুর্গত মানুষের মধ্যে দিনে দুই বার রান্না করা খাবার ও সুপেয় পানি বিতরণ করছে খালসা এইড ইন্টারন্যাশনাল। গত বছর কেরালার বন্যার সময়েও দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ায় স্বেচ্ছাসেবী এই সংস্থা। ইরাক ও লেবাননেও শরণার্থীদের জন্য কাজ করছে খালসা এইড ইন্টারন্যাশনাল।








