চলতি বছর এখন পর্যন্ত অবরুদ্ধ পশ্চিমতীর ও গাজা উপত্যকায় ১৬ ফিলিস্তিনি শিশুকে হত্যা করেছে ইসরায়েলি দখলদারি বাহিনী। মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ডিফেন্স ফর চিলড্রেন ইন্টারন্যাশনাল-ফিলিস্তিন এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে আসে। সংগঠনটি জানায়, নিহতদের মধ্যে ১২ জন শিশু গাজার আর চারজন পশ্চিমতীরের। তাদের অভিযোগ শিশুদের ওপর তাজা গুলি নিক্ষেপ করেছে ইসরায়েলি দখলদারি বাহিনী। হত্যা কিংবা স্থায়ী পঙ্গু করে দেওয়াই ছিলো তাদের উদ্দেশ্য।
ফিলিস্তিনিদের ওপর ইসরায়েলের ধরপাকড় নতুন নয়। ধরপাকড়ে ও নিপীড়নের এ তালিকায় বাদ নেই নারী ও শিশুরাও। ফিলিস্তিনি প্রিজনার্স অ্যাসোসিয়েশন নামে একটি বেসরকারি সংস্থা জানিয়েছে, ২০১৫ সাল থেকে কমপক্ষে ৬ হাজার ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করেছে ইসরায়েল। আটক শিশুদের ৯৮ শতাংশই বন্দি অবস্থায় শারীরিক ও মানসিক নিপীড়নের শিকার হয়েছে। প্রথমে গুলি করে আহত করার পর শত শত ফিলিস্তিনি শিশুকে আটক করে ইসরায়েলি বাহিনী। রামাল্লাভিত্তিক কারাবন্দি বিষয়ক ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের কমিটির তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইসরায়েলের কারাগারে বন্দি রয়েছেন প্রায় পাঁচ হাজার ৭০০ ফিলিস্তিনি। এদের মধ্যে ৪৮ নারী ও ২৫৯ শিশু রয়েছে।
প্রতিবেদনে আর বলা হয়, ইসরায়েলি দখলদারি বাহিনী ফিলিস্তিনি শিশুদের প্রতি হত্যা ও নিপীড়ন অব্যাহত রেখেছে। এজন্য তাদের কোনও জবাবদিহি করতে হয় না বরং ইসরায়েলি সরকার তাদের সমর্থন দেয়।
আন্তর্জাতিক শিশু সুরক্ষা আন্দোলনের অংশ ওই সংগঠনটি পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জাতিসংঘ মহাসচিবের প্রতি আহ্বান জানায়। শিশুদের ওপর ইসরায়েলের সহিংসতার ব্যাপারটি জাতিসংঘ তাদের বার্ষিক প্রতিবেদনে যেন অন্তর্ভূক্ত করে সেই আহ্বানও জানায় সংস্থাটি।








