মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত: সিরিয়া ইস্যুতে ট্রাম্প

বিদেশ ডেস্ক
০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২১:২৪আপডেট : ০৯ অক্টোবর ২০১৯, ২১:৪৩

সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে ৫০ জন সেনাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে জড়ানো ছিলো যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত । তিনি বলেন, ‘শত শত বছর ধরে এই গ্রুপগুলোর মধ্যে আমরা যুদ্ধ করছি। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্ত হওয়াই  ঠিক হয়নি যুক্তরাষ্ট্রের।’

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধে জড়ানো যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত: সিরিয়া ইস্যুতে ট্রাম্প

সোমবার সিরিয়ায় আইএসবিরোধী অভিযান চালানোর ঘোষণা দেয় তুরস্ক। দেশটির প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ানের মুখপাত্র ইব্রাহিম কালিন বলেন, সন্ত্রাসী আস্তানা গুঁড়িয়ে দিতেই তুর্কি সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে সামরিক অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে আঙ্কারা। তবে এর আগেই যুক্তরাষ্ট্রও তুর্কি অভিযানের সম্ভাব্যতার কথা জানিয়েছিলো। চূড়ান্ত ঘোষণা আসার পর সেনা সরিয়ে নিতে শুরু করে ট্রাম্প প্রশাসন।

বুধবার এক টুইটবার্তায় ট্রাম্প বলেন, ‘আমাদের ৫০ জন সেনাকে সরিয়ে আনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘বোকার মতো এই অসীম যুদ্ধ আমাদের জন্য শেষ হচ্ছ।’

ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ও নীতিগত কারণে ৮ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের। হাজার হাজার মার্কিন সেনা হতাহতের শিকার হয়েছেন। অন্যদিকে লাখ লাখ মানুষ মারা গেছে। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যে যুক্ত হওয়া ছিলো আমাদের দেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বাজে সিদ্ধান্ত।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা মিথ্যা বিশ্বাসে যুদ্ধ শুরু করেছিলাম। গণহত্যাকারী অস্ত্রের কথা বলা হয়েছিলো আমাদের। কিন্তু সেখানে কিছুই নেই। 

অন্যদিকে কুর্দি নেতৃত্বাধীন সশস্ত্র গোষ্ঠী এসডিএফের মুখপাত্র কিনো গ্রাব্রিয়েল বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশ্বাস দিয়েছিলো যে তারা তুরস্ককে কোনও সামরিক অভিযান পরিচালনা করতে দেবে না। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এমন বিবৃতিতে আমার খুবই অবাক হয়েছি। ঘটনাটি পেছন থেকে ছুরিকাঘাত করার সামিল।

তুরস্কের এই অভিযানে মার্কিন সেনা সরিয়ে নিলেও ট্রাম্প বলেছেন, অর্থনৈতিক পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে তুরস্কের বিরুদ্ধে।

/এমএইচ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম