কুর্দি সশস্ত্র গোষ্ঠী ওয়াইপিজি এখনও সিরিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে সরে যায়নি বলে দাবি করেছে তুরস্ক। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী দাবি করেছেন, এলাকা ত্যাগের সময় চলে আসলেও এখনও অনেক কুর্দি সেখানে অবস্থান করছে।
২০১৯ সালের ৯ অক্টোবর তুর্কি সীমান্তবর্তী সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় এলাকা থেকে সিরিয়ার কুর্দি বিদ্রোহীদের উৎখাতে অভিযান শুরু করে তুরস্ক। তার আগ মুহূর্তে ওই অঞ্চল থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করা হয়। পরে ওয়াশিংটনের মধ্যস্থতায় গত ১৭ অক্টোবর ৫ দিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় আঙ্কারা। যুদ্ধবিরতিকালে তুর্কি বাহিনী সিরিয়াতেই অবস্থান করছিলো। তবে সে সময় কোনও সামরিক পদক্ষেপ নেয়নি তারা। গত ২৩ অক্টোবর ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি জানায়, সিরীয় কুর্দিদের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার এক চুক্তিতে সম্মত হয়েছে তুরস্ক ও রাশিয়া। উভয়দেশ চুক্তিটিকে ‘ঐতিহাসিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছে। ওই চুক্তি স্বাক্ষরের পর তুর্কি সীমান্তে টহল শুরু করে রুশ সেনারা।
চুক্তি অনুযায়ী তুর্কি সীমান্তের ৩০ কিলোমিটার অঞ্চল থেকে ওয়াইপিজিকে সরিয়ে দেওয়ার কথা ছিল রুশ সামরিক পুলিশ ও সিরীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর। চুক্তির শর্তে বলা হয়েছিল, মঙ্গলবার সন্ধ্যা ছয়টায় শেষ হবে এই প্রক্রিয়ার সময়সীমা। এরপর রুশ ও তুর্কি বাহিনী সেখানে টহল শুরু করবে। তবে তুর্কি প্রতিরক্ষামন্ত্রী হুলুসি আকার বলেন, মনে হচ্ছে এখনও সেখানে ওয়াইপিজির সন্ত্রাসীরা অবস্থান করছে। আমাদের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই শেষ হয়নি। তিনি দাবি করেন, এখনও মানবিজে এক হাজারের মতো ওয়াইপিজি সেনা অবস্থান করছে। নিকটবর্তী তেল রিফাতেও প্রায় এক হাজার সেনা রয়েছে।
রাশিয়ার সঙ্গে যৌথ টহলের ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমাদের একসঙ্গে টহলে নিয়ম বিশেষ করে কি গাড়ি ব্যবহার করা হবে সেটা নিয়ে পরে ঠিক করা হবে। সেই বিষয়ে এই মুহূর্তে কথা বলতে তুরস্কে অবস্থান করছে রুশ প্রতিনিধি দল ।








