ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ বিচারে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের নেওয়া উদ্যোগের সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার দেশটির পররাষ্ট্রন্ত্রী মাইক পম্পেও এক বিবৃতিতে জানায়, আমরা ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বভাবে লক্ষ্য করে নেওয়া পদক্ষেপের সমালোচনা করি।
ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের যুদ্ধাপরাধের পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) প্রধান কৌঁসুলি ফাতো বেনসুদা। তিনি বলেছেন, এই তদন্তের পর জাতিমুক্তি আন্দোলনের সংগঠন হামাসসহ ফিলিস্তিনি ও ইসরায়েলিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া যেতে পারে।
পম্পেও বলেন, এই পদক্ষেপ নিয়ে প্রসিকিউটর কর্তৃপক্ষের বৈধ এখতিয়ারকে প্রশ্নের মুখে ফেলেছেন। তিনি আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্র মনে করে না ফিলিস্তিন একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র। তাই আইসিসির মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মতো সদস্য হওয়ার যোগ্যতা তার নেই।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখনও ফিলিস্তিন ও ইসরায়েলের মধ্যকার শান্তিপ্রক্রিয়া বিশ্বাসী ও অঙ্গীকারাবদ্ধ।
আইন অনুযায়ী কেবল সার্বভৌম রাষ্ট্রের পরিস্থিতির বিচার করতে পারে আইসিসি। আর তেলআবিব দাবি করে, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বৈধ অধিকার রয়েছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় তাদের ওই দাবি মানে না। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে ফিলিস্তিন সার্বভৌম দেশ হিসেবে স্বীকৃত নয়, তারপরও দেশটি ২০১৫ সালের জানুয়ারিতে পর্যবেক্ষক রাষ্ট্রটি আইসিসি সদস্য হয়। এ কারণে তারা যেকোনও যুদ্ধাপরাধের তদন্তের জন্য আন্তর্জাতিক আদালতকে অনুরোধ করতে পারে তারা।








