দুর্নীতির দায়ে বিচারের মুখোমুখি ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী পার্লামেন্টারি নিরাপত্তার আওতায় দায়মুক্তি চেয়েছেন। এতে করে এই বিচারকার্য আগামী মার্চে নির্বাচন পর্যন্ত পিছিয়ে যেতে পারে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা যায়।
গত নভেম্বরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে ঘুষ, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলা করা হয়। তবে নেতানিয়াহু তা অস্বীকার করেন। তবে পার্লামেন্টারি নিরাপত্তা বা ইমুনিটির জন্য তার নেসেটে অর্ধেকের বেশি সদস্যের সমর্থন লাগবে।
গত এপ্রিল ও সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ার পর জোট সরকার গঠন করতে প্রধানমন্ত্রী ব্যর্থ হওয়ার পর রাজনৈতিক সংকটের মধ্যে তার বিচারের ঘোষণা দিলো আইন বিভাগ। দুর্নীতি বিষয়ে কোনও ধরনের অন্যায় করেননি বলে দাবি করেছেন নেতানিয়াহু। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, ‘আমি পদত্যাগ করবো না এবং আইনগতভাবে এটা করতে আমি বাধ্য নই।’
এরপর বুধবার টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি পার্লামেন্টারি নিরাপত্তার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটা একটি আইনসম্মত পদক্ষেপ। আপনাদের সেবার জন্য, ইসরায়েলের ভবিষ্যতের জন্য এটা জরুরি।
চলতি বছর মার্চে এক বছরে তৃতীয়বারের মতো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। পার্লামেন্ট থেকে ইমুউনিটির প্রস্তাব করা হলে বিচারকার্য শুরু হওয়ার সুযোগ নেই। দেশটির আইন অনুযায়ী নেসেটের সদস্যরা সাধারণত আদালত থেকে এমন নিরাপত্তা পান না। তবে পার্লামেন্ট সদস্যদের বিশেষ অনুরোধে সেটি বিবেচনা করা হয়।








