বিমান ভূপাতিত করার বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনে তাজা গুলি চালানোর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভরতদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ার শেল ও তাজা গুলি চালানো হয়েছে। তবে পুলিশের দাবি, উপর মহল থেকেই তাদের সংঘত থাকতে বলা হয়েছিল বলে তারা বিক্ষোভকারীদের ওপর চড়াও হয়নি।
দেশি-বিদেশি চাপের মুখে অবশেষে শনিবার ইরান স্বীকার করে, গত ৮ জানুয়ারি (বুধবার)তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতেই ইউক্রেনগামী বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। এতে ১৭৬ জন যাত্রী নিহত হন। যাদের বেশিরভাগই ইরানি ও ইরানি বংশোদ্ভুত কানাডীয় নাগরিক। এই স্বীকারোক্তির পরই ইরানের জনগণ বিক্ষোভে নামে। রবিবার রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা উপেক্ষা করে তারা নিহতদের স্মরণ ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তাজা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে বলে অভিযোগ করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো। এরপর সোমবার এক বিবৃতিতে পুলিশ প্রধান হোসেন রাহিমি দাবি করে, ‘বিক্ষোভে পুলিশ কোনও গুলি চালায়নি কারণ তাদের সংযত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিলো।’
তেহরান ছাড়াও বেশ কিছু শহরে বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হলেও সেখানেও এমন পুলিশি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কি না তা স্পষ্ট নয়। দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর সিরজের এক বিক্ষোভকারী জানায়, তাদের বিক্ষোভের পরিধি ছোট ছিল। সবাই মোমবাতি জ্বালিয়ে স্লোগান দিচ্ছিলো। মেহদি নামের ৪৯ বছর বয়সী একজন জানায়, দুই ঘণ্টা বিক্ষোভ চলমান থাকার পর পুলিশ তাদের সরিয়ে দেয়।








