সিরিয়ার সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করলো বিদ্রোহীরা

বিদেশ ডেস্ক
১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৫:১৯আপডেট : ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৬:৩৪
image

সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে দেশটির সেনাবাহিনীর একটি হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে সরকারবিরোধী বিদ্রোহীরা। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সানা জানিয়েছে, শুক্রবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) পশ্চিমাঞ্চলীয় আলেপ্পোর উরুম আল কুবরা শহরের কাছে ক্ষেপণাস্ত্রের হামলায় বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। সানার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ‘বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটিতে থাকা সব ক্রু নিহত হয়েছে।’ তবে ওই হামলার পেছনে কারা রয়েছে সে সম্পর্কে কোনও বিস্তারিত জানায়নি সংবাদমাধ্যমটি।

সিরিয়ার সামরিক হেলিকপ্টার ভূপাতিত করলো বিদ্রোহীরা

দ্য ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট নামের একটি বিদ্রোহী গোষ্ঠী ওই হামলার দায় স্বীকার করে ম্যাসেজিং অ্যাপস টেলিগ্রামে বিবৃতি দিয়েছে। পরে তুরস্কের বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি বলছে, আলেপ্পো প্রদেশের পশ্চিমাঞ্চলের ওপর দিয়ে হেলিকপ্টার উড়ে যাওয়ার সময় হামলা চালায় ওই বিদ্রোহীরা। এতে আরও জানানো হয়েছে, ওই অঞ্চলে সরকারি ও বিদ্রোহী বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে, এমন সময় মধ্য আলেপ্পো থেকে হেলিকপ্টারটি উড্ডয়ন করে। সে সময় হেলিকপ্টারটি লক্ষ্য করে কিবতান আল জাবাল অঞ্চল থেকে গুলি করা হয়। গুলিতে ওই সামরিক যানটি বিধ্বস্ত হয়।

এর আগে গত সোমবার ইদলিবে আসাদ-বাহিনীর হামলায় তুরস্কের পাঁচ সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। সিরীয় হামলার পাল্টা আঘাত হিসেবে তুর্কি সেনারা সরকারের ১১৫টি স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। এতে ১০১টি ধ্বংস হয়েছে। এগুলোর মধ্যে ছিল তিনটি ট্যাংক, দুটি মর্টার পজিশন ও একটি হেলিকপ্টার।

সম্প্রতি রুশ যুদ্ধ বিমানের সহায়তায় ইদলিবে অভিযান জোরালো করেছে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী। এই অভিযানের কারণে অঞ্চলটি ছেড়ে হাজার হাজার শরণার্থী পালাচ্ছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। ইদলিবে সিরীয় বিদ্রোহীদের সমর্থনে ২০১৭ সাল থেকেই সেনা মোতায়েন রেখেছে তুরস্ক। নতুন করে শরণার্থী সংকটের আশঙ্কায় ফেব্রুয়ারির শুরুর দিকে সিরীয় সীমান্তে ট্যাঙ্ক এবং সাঁজোয়া যানসহ অতিরিক্ত সেনা মোতায়েন করে তুরস্ক।

২০১১ সালে সিরিয়ার গৃহযুদ্ধ শুরুর পর কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হয়েছে। আর দেশ ছেড়ে পালিয়েছে দেশটির জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি মানুষ। এদের বেশিরভাগই আশ্রয় নিয়েছে প্রতিবেশী তুরস্কের বিভিন্ন আশ্রয় শিবিরে।

/এইচকে/বিএ/
সম্পর্কিত
বিশ্ব অর্থনীতির সামনে দুই কঠিন পথ, নেপথ্যে ইরান যুদ্ধ ও এআই সংকট
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
সর্বশেষ খবর
মিষ্টির দোকানে জরিমানা, কী ঘটেছিল ইউএনওর সঙ্গে
মিষ্টির দোকানে জরিমানা, কী ঘটেছিল ইউএনওর সঙ্গে
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
ঢাকায় ডেঙ্গুর চরম ঝুঁকিতে কোন ওয়ার্ড
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
বিএসইসি’র নতুন চেয়ারম্যান মাসুদ খান, নিয়োগ পেলেন তিন কমিশনার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে বাংলাদেশের বিজয়ে রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের