করোনা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলার হানা

বিদেশ ডেস্ক
১১ এপ্রিল ২০২০, ১৫:৪০আপডেট : ১১ এপ্রিল ২০২০, ১৫:৪০

ডেমোক্র্যাটিক রিপাবলিক কঙ্গোতে (ডিআরসি) নতুন করে একজনের মধ্যে ইবোলা ভাইরাসের সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। একদিন পরেই (রবিবার) দেশটির সবচেয়ে বড় ইবোলা মহামারি শেষ হওয়ার ঘোষণা দেওয়ার কথা ছিল। তবে করোনা মহামারির মধ্যেই নতুন করে ইবোলা সংক্রমণের ঘটনায় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আলজাজিরার খবর থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। করোনা নিয়ে উদ্বেগের মধ্যেই কঙ্গোতে নতুন করে ইবোলার হানা

২০১৮ সালের আগস্টে ডিআরসিতে শুরু হয় ইবোলা মহামারি। দেশটির অন্যতম বড় এই মহামারিতে এখন পর্যন্ত দুই হাজার দুইশো মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সর্বশেষ আক্রান্ত শনাক্ত হয় দেশটিতে। ফলে আগামী রবিবার এই মহামারি অবসানের ঘোষণা দেওয়ার পরিকল্পনা চলছিল। তবে এর আগেই শুক্রবার নতুন আক্রান্ত শনাক্ত হয়।

ইবোলা মহামারির কেন্দ্রস্থল বলে পরিচিত ডিআরসির পূর্বাঞ্চলীয় শহর বেনি। এই শহরেই নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে একটি হাসপাতালে ওই ব্যক্তি মারা যায়। কয়েক দিন আগেই তার আক্রান্ত হওয়ার লক্ষণ দেখা দেয়।

মহামারি প্রতিরোধে গঠিত বহুপাক্ষিক কমিটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে বেনি অঞ্চলের এক ২৬ বছর বয়স্ক ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছে।’ ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘ডব্লিউএইচও’র সহায়তায় আমাদের দল ইতোমধ্যেই মাঠ পর্যায়ে গভীর তদন্ত শুরু করেছে এবং জনস্বাস্থ্য সম্পর্কিত কার্যাবলি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।’

ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস এক টুইট বার্তায় বলেছেন, ‘৫২ দিন কোনও আক্রান্ত না থাকার পর, মাঠ পর্যায়ের নজরদারি ও মোকাবিলায় গঠিত দল নতুন আক্রান্তের কথা নিশ্চিত করেছে। আমরা আরও আক্রান্তের আশা করছি আর প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছি।’

গেব্রিয়াসিস বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে এর অর্থ হলো ডিআরসি সরকার আগামী সোমবার ইবোলা মহামারি অবসানের ঘোষণা দিতে পারছে না, যেমনটি আশা করা হয়েছিল। কিন্ত ডব্লিউএইচও এখনও মাঠে রয়েছে এবং মহামারি অবসানে সরকার, আক্রান্ত জনগোষ্ঠী এবং আমাদের সহযোগীদের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবার প্রতিশ্রুতি বহাল রেখেছে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা বলছেন, ভাইরাসটি ফিরে আসার ক্ষেত্রে লাইসেন্সবিহীন কিন্তু পরীক্ষা করা টিকার ব্যবহার বড় ধরনের ভূমিকা রেখেছে।

/জেজে/বিএ/
সম্পর্কিত
হাজার বছরের ‘পবিত্র’ গাছ মৃত্যুযাত্রায়, মর্মাহত পুরো গ্রাম
তলিয়ে যেতে পারে খুলনা ও কলকাতাসহ বিশ্বের ১৫ শহর
বিশ্বের সবচেয়ে ‘অপছন্দনীয়’ দেশ কোনগুলো
সর্বশেষ খবর
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
ইরানি ইসলামি শাসনবিরোধী শিল্পী মারজান সাত্রাপির প্রয়াণ
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
হজে গিয়ে পাসপোর্ট হারালে যা করবেন
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
রাস্তায় তোশক আর মুখে মুখ, দিল্লির আগুনে যেভাবে ‘হিরো’ হলেন স্থানীয়রা
সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ 
সান মারিনোর বিপক্ষে জয় ছিনিয়ে আনতে চায় বাংলাদেশ 
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী