করোনায় যুক্তরাষ্ট্রের এক বৃদ্ধাশ্রমেই ৬৮ জনের মৃত্যু

বিদেশ ডেস্ক
২৯ এপ্রিল ২০২০, ১৪:১০আপডেট : ২৯ এপ্রিল ২০২০, ১৪:১৪
image

যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বৃদ্ধাশ্রমে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৬৮ জন বাসিন্দা প্রাণ হারিয়েছেন। হলিওকে সোলজার’স নামের ওই বৃদ্ধাশ্রমের আরও ৮২ জন বাসিন্দা ও ৮১ জন কর্মীর দেহেও করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

করোনায় যুক্তরাষ্ট্রের এক বৃদ্ধাশ্রমেই ৬৮ জনের মৃত্যু

দ্য গার্ডিয়ান জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয় পরিচালনাধীন এ আশ্রয়কেন্দ্রে করোনার কারণে কেন এতো মানুষের প্রাণহানি হলো তা জানতে তদন্ত শুরু করেছেন ফেডারেল কর্মকর্তারা। সেখানকার বাসিন্দাদের যথাযথ চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখবেন তারা। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে কিনা সে ব্যাপারেও সিদ্ধান্ত নেবেন প্রসিকিউটররা।

এডওয়ার্ড লাপয়েন্তে নামের এক ব্যক্তি গার্ডিয়ানকে জানান, তার শ্বশুর হলিওকে সোলজারস বৃদ্ধাশ্রমে থাকতেন। তার শরীরে করোনাজনিত জটিলতা খুব কম ছিল দাবি করে এডওয়ার্ড বলেন, ‘এটা ভয়াবহ। এই মানুষগুলোর মারা যাওয়ার কথা ছিল না।’

বৃদ্ধাশ্রমের তত্ত্বাবধায়ক বেনেট ওয়ালশকে এরইমধ্যে প্রশাসনিক ছুটিতে পাঠানো হয়েছে।  তার দাবি, ওই বৃদ্ধাশ্রমে ব্যাপক সংক্রমণের আশঙ্কা নিয়ে স্থানীয় সরকারের কর্মকর্তারা কোনও পূর্বাভাস না পাওয়ার যে দাবি করছেন তা মিথ্যা। বরং তারা আগে থেকেই জানতেন, কর্মী সংখ্যা কম থাকায় বৃদ্ধাশ্রমটি সংকটের মধ্যে আছে। এছাড়া সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর পরই এ ব্যাপারে তাদেরকে অবহিত করা হয়েছিল।

বৃদ্ধাশ্রমে নার্স হিসেবে নিয়োজিত আছেন জোয়ান মিলার। তিনি মনে করেন, বছরের পর বছর ধরে কর্মী সংকটে রয়েছে বৃদ্ধাশ্রমটি। আর এ সংকটের কারণেই সেখানে দাবানলের মতে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়েছে। তিনি জানান, কর্মী কম থাকায় তাদেরকে বিভিন্ন ইউনিটে একসঙ্গে কাজ করতে হয়। আর এতে এক ইউনিট থেকে অন্য ইউনিটে সংক্রমণ ছড়িয়েছে।

মিলার আরও জানান, এখন পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আছে কারণ এখন সেখানে বসবাসকারীর সংখ্যা অনেক কম। বোস্টন গ্লোবের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, মার্চের শেষ নাগাদ বৃদ্ধাশ্রমে প্রায় ২৩০ জন বাসিন্দা ছিলেন। আর সোমবার (২৮ এপ্রিল) নাগাদ সেখানকার বাসিন্দা সংখ্যা কমে প্রায় ১০০ তে ঠেকেছে।

/এফইউ/বিএ/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
দিনের গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক খবর
সর্বশেষ খবর
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
পঞ্চগড়ে ভাগনিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও মামিকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে মামলা
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
বাসায় ফিরে বিএনপি সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন আ.লীগের আইভী
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম