চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে নতুন করে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের ঘটনায় সতর্ক প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। সোমবার প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চীনে ভাইরাসটির নতুন প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষিতে এ নিয়ে দুনিয়াজুড়ে বিজ্ঞানীদের এ বিষয়ে তদন্ত বা পরীক্ষা নিরীক্ষা করা উচিত। কিভাবে এই সংক্রমণের সূত্রপাত ঘটছে এবং কীভাবে এটি আরও ছড়িয়ে পড়েছে তা বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। সোমবার এক ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের এমন অবস্থানের কথা জানান প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা।
ডব্লিউএইচও-র ইমার্জেন্সি প্রোগ্রামের নির্বাহী পরিচালক ড. মাইক রায়ান বলেন, কীভাবে এই পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে তার উত্তর একটি পূর্ণাঙ্গ ও নিয়মতান্ত্রিক তদন্তের মধ্যেই নিহিত রয়েছে।
তিনি বলেন, চীন দ্রুত এবং ব্যাপক পদক্ষেপ নেওয়ায় নতুন সংক্রমণ সীমিত রাখা গেছে। তারপরও বেইজিং একটি বিশাল, বহুমাত্রিক এবং সংযুক্ত শহর, সে কারণে উদ্বেগ থেকেই যায়।’ তবে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে বলে জানান তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও-এর মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস বলেছেন, ‘যেসব দেশ ইতোমধ্যেই সংক্রমণ কমিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে সেসব দেশের সরকারগুলোকেও সম্ভাব্য সংক্রমণ পুনরুত্থানের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।’ গত সপ্তাহে চীনে নতুন সংক্রমণ শুরুর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এর উৎপত্তি এবং বিস্তার এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’
সংস্থাটির কোভিড-১৯ টেকনিক্যাল প্রধান মারিয়া ভ্যান কেরকোভ বলেন, ‘বেইজিংয়ের প্রাদুর্ভাবে এখন পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি।’
সংবাদ সম্মেলনে ডব্লিউএইচও মহাপরিচালক টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস জানান, করোনাভাইরাসের মহামারিতে নতুন করে আক্রান্তদের ৭৫ শতাংশই আক্রান্ত হচ্ছে দশটি দেশে। এর বেশিরভাগই আমেরিকা ও দক্ষিণ এশিয়ায়। এছাড়া আফ্রিকা, পূর্ব ইউরোপ, মধ্য এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে জানান তিনি।








