অবরোধ আরোপকারী চারটি আরব দেশের কাছ থেকে পাঁচশো কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়ার শরণাপন্ন হওয়ার ঘোষণা দিয়েছে কাতার এয়ারওয়েজ। বুধবার বিমান সংস্থাটির এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই চারটি দেশে তাদের কার্যক্রম বন্ধ থাকা, বিনিয়োগমূল্যের ক্ষতি এবং বিশ্বজুড়ে তাদের কার্যক্রমের ক্ষতিসাধন করায় এই অর্থ পেতে আরব্রিট্রেশন নোটিশসহ সব ধরনের আন্তর্জাতিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সন্ত্রাসবাদে সহায়তার অভিযোগ এনে কাতারের ওপর অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপ করে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও মিসর। এর আওতায় কাতারের সঙ্গে স্থল, আকাশ ও নৌ-সীমান্ত বন্ধ করে দেয় এসব দেশ। তবে ওই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে কাতার। দোহার দাবি, কাতারের সার্বভৌমত্ব ক্ষুণ্ন করতে চাইছে এসব আরব দেশ।
চার আরব দেশের ওই সিদ্ধান্তের কারণে সেসব দেশে বন্ধ হয়ে যায় কাতার এয়ারওয়েজের কার্যক্রম। বুধবার বিমান সংস্থাটির প্রধান নির্বাহী আকবর আল বাকের এক বিবৃতিতে বলেন, চার আরব দেশের ওই সিদ্ধান্ত আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। একই সঙ্গে তাদের স্বাক্ষর করা কয়েকটি চুক্তিরও খেলাপ। তিনি বলেন, তিন বছর ধরে আলোচনার মাধ্যমে এই সংকট সমাধানের চেষ্টা চালানো হলেও তা ব্যর্থ হয়েছে। আর সে কারণেই আইনি প্রক্রিয়ার আশ্রয় নেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।








