ফের ক্ষমতায় এলে উৎপাদন খাতে চীনের ওপর নির্ভরশীলতা থেকে বেরিয়ে আসার অঙ্গীকার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার টুইটারে দেওয়া এক পোস্টে এমন অঙ্গীকার করেন তিনি।
টুইটে ট্রাম্প বলেন, আমাকে এবং রিপাবলিকান পার্টিকে ভোট দেওয়ার মানে হচ্ছে ‘আমেরিকান স্বপ্ন’কে ভোট দেওয়া। আগামী চার বছরে আমরা আমেরিকাকে বিশ্বের উৎপাদক পরাশক্তিতে পরিণত করবো। চীনের ওপর থেকে আমাদের নির্ভরশীলতার ইতি ঘটাবো।
এদিন আরেক টুইটে মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের ওপর দৃশ্যত ক্ষোভ উপড়ে দেন ট্রাম্প। পেনসিলভানিয়ায় নির্বাচনের তিনদিন পর পর্যন্ত গণনা করা যাবে পোস্টাল ভোট। আদালতের এমন রায়ের প্রতিক্রিয়ায় ট্রাম্প বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্ত সহিংসতা উস্কে দেবে। আদালতের রায়কে বিভ্রান্তিকর বলেও উল্লেখ করেন তিনি। তবে তার ওই টুইটকে ‘মিসলিডিং’ বা বিভ্রান্তিকর হিসেব লেবেল লাগিয়ে দিয়েছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।
ওই টুইটে ট্রাম্প বলেন, ‘পেনসিলভানিয়ার ভোটের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের সিদ্ধান্তটি অত্যন্ত বিপজ্জনক। এটি অবারিত প্রতারণার সুযোগ করে দেবে এবং আমাদের সমগ্র বিচার ব্যবস্থার ভিত দুর্বল করে দেবে। এটি রাস্তায় সহিংসতাকে প্ররোচিত করবে। অবশ্যই কিছু করতে হবে!’
সোমবার আদালতের আদেশে বলা হয়েছিল, পেনসিলভানিয়ায় মঙ্গলবার ভোট শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও তিন দিন পর্যন্ত যত পোস্টাল ব্যালট আসবে, তা গণনা করা হবে।
ট্রাম্প প্রথম থেকেই পোস্টাল ব্যালটের বিরোধী। নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই তিনি প্রচার করছেন যে, পোস্টাল ভোটে কারচুপির আশঙ্কা রয়েছে। ফলে তিনি পোস্টাল ভোট মেনে নেবেন না। তবে পোস্টাল ভোটে কিভাবে কারচুপি করা সম্ভব তার স্বপক্ষে কোনও যুক্তি বা ব্যাখ্যা তিনি দাঁড় করাতে পারেননি।
পোস্টাল ভোটের বেশিরভাগই মূলত ট্রাম্পের প্রতিপক্ষ জো বাইডেনের বলে মনে করা হয়। ট্রাম্প নিজেও মনে করেন, অধিকাংশ পোস্টাল ভোটই বাইডেনের ঝুড়িতে যাবে। মূলত এ কারণেই প্রথম থেকে পোস্টাল ভোটের বিরোধিতায় সরব ট্রাম্প। সূত্র: ডিডব্লিউ, রয়টার্স।








