সংলাপ নয়তো সংঘাত একটি বেছে নিন, পুতিনকে যুক্তরাষ্ট্র

বিদেশ ডেস্ক
১০ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:০২আপডেট : ১০ জানুয়ারি ২০২২, ১৫:১৪

ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের সম্পর্ক দিনকে দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে। এর মধ্যেই রাশিয়াকে অনেকটা হুমকির সুরে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেছেন, রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে হয় সংলাপ নয়তো সংঘাত এই দুইয়ের যেকোনও একটি বেছে নিতে হবে। ইউক্রেন সীমান্তে প্রায় লাখ খানেক রুশ সেনা অবস্থানের মধ্যেই এমন মন্তব্য করেছেন ব্লিঙ্কেন।

ইউক্রেনের সঙ্গে রাশিয়ার চরম উত্তেজনার মধ্যে রবিবার (৯ জানুয়ারি) নৈশভোজে অংশ নেন যুক্তরাষ্ট্র ও মস্কোর জেষ্ঠ্য কূটনীতিকের পাশাপাশি সামরিক কর্মকর্তারাও। আজ সোমবার (১০ জানুয়ারি) পূর্ব নির্ধারিত আলোচনায় বসার আগে সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বৈঠকটি হয়। গত মাসে ন্যাটো ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খসড়া চুক্তি হয়। যার অনেকগুলোই যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে মেনে নেওয়া কঠিন। কারণ, এর মধ্যে একটি হলো ইউক্রেনকে কখনো ন্যাটোর সদস্য করা যাবে না।

রবিবারের নৈশভোজের বৈঠককে ‘চমৎকার’ বলে বর্ণনা করেছেন রুশ প্রতিনিধি দলের প্রধান উপ -পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেইড রিয়াকভ। তিনি বলেন, আলোচন জটিল ছিল। কিন্তু আগামীতে আলোচনার জন্য সহায়ক হবে। আমি মনে করি আগামীকাল (আজ) আমরা সময় নষ্ট করবো না। আমি কখনই আশা ছাড়াবো না। কারণ সব সময় আশাই থাকি।

বৈঠকে অংশ নেন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়েনডি শেরম্যান। তিনি রাষ্ট্রীয় অখণ্ডতা এবং সার্বভৌম দেশগুলোর জোটসঙ্গী বেছে নেওয়ার স্বাধীনতার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিশ্রুতিগুলোর ওপর জোর দেন। কূটনীতির মাধ্যমে প্রকৃত অগ্রগতিকে যুক্তরাষ্ট্র স্বাগত জানাবে বলেও উল্লেখ করেছেন তিনি।

এ নিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বলেন, আমাদের সামনে দুটি পথ খোলা আছে। সংকট উত্তরণের জন্য একটি হল সংঘাত এড়াতে কূটনৈতিক পথ। অন্যটি সংঘাত। রাশিয়া যদি আবারও ইউক্রেনে আক্রমণ চালানোর চেষ্টা করে এর জন্য চরম মূল্য দিতে হবে। এখন রুশ প্রেসিডেন্ট পুতিনকে বেছে নিতে হবে তিনি কোন পথে হাটতে চান।

এদিকে সোমবারের বৈঠকে নিরাপত্তার গ্যারান্টি, ক্ষেপণাস্ত্রের সীমাবদ্ধতা, সামরিক মহড়ার মতো বিষয়ে আলোচনা হতে পারে বলে শোনা যাচ্ছে। সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

/এলকে/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম