X
বুধবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২
১২ আশ্বিন ১৪২৯

মার্কিন ড্রোন হামলায় আল কায়েদার শীর্ষ নেতা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
০২ আগস্ট ২০২২, ০৮:৪৫আপডেট : ০২ আগস্ট ২০২২, ২২:০৮

ড্রোন হামলা চালিয়ে আল কায়েদার শীর্ষ নেতা আয়মান আল জাওয়াহিরিকে হত্যা করেছে যুক্তরাষ্ট্র। স্থানীয় সময় সোমবার সন্ধ্যায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এক ঘোষণায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

জো বাইডেন জানান, ৭১ বছর বয়সী জাওয়াহিরিকে হত্যার জন্য হামলা চালাতে তিনি অনুমোদন দিয়েছিলেন। এজন্য কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হচ্ছিল।

বিবিসি জানিয়েছে, রবিবার আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা (সিআইএ)-এর তরফে এই ড্রোন হামলা চালানো হয়। কর্মকর্তারা বলছেন, মার্কিন ড্রোন থেকে যখন দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয় তখন জাওয়াহিরি একটি সেফ হাউজের বারান্দায় দাঁড়িয়েছিলেন। ওই সময়ে পরিবারের অন্য সদস্যরাও বাড়িটিতে উপস্থিত ছিলেন। তবে তাদের কোনও ক্ষতি হয়নি।

জো বাইডেন বলেন, জাওয়াহিরির বিরুদ্ধে মার্কিন নাগরিকদের হত্যা ও সহিংসতার প্রমাণ রয়েছে। তার ভাষায়, ‘এখন ন্যায়বিচার হয়েছে এবং এই সন্ত্রাসী নেতা আর বেঁচে নেই। এর জন্য কতদিন সময় লেগেছে সেটা বড় বিষয় নয়। কোথায় লুকিয়ে ছিল সেটাও কোনও ব্যাপার নয়। তুমি যদি আমেরিকার জনগণের জন্য হুমকি হও, তাহলে আমেরিকা তোমাকে খুঁজে বের করবে।’

আফগানিস্তানের শাসক দল তালেবানের পক্ষ থেকেও রবিবার দেশটিতে মার্কিন ড্রোন হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। তালেবানের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, কাবুলের একটি আবাসিক এলাকায় ড্রোন হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি এই হামলাকে আন্তর্জাতিক রীতিনীতির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

১৯৫০ সালে মিসরের এক ধনাঢ্য পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন আয়মান আল জাওয়াহিরি। জঙ্গিবাদী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়ার আগে তিনি মূলত একজন সার্জন ছিলেন। বারবার কারাবরণ ও নিপীড়নের মুখে একপর্যায়ে পাকিস্তানে পালিয়ে যান তিনি। সেখানে তিনি সোভিয়েত বাহিনীর বিরুদ্ধে মুজাহিদিন যোদ্ধাদের সংগঠিত করেন। পরিচয় হয় সৌদি পৃষ্ঠপোষক ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে। উভয়ে মিলে গড়ে তোলেন আল কায়েদা। ২০১১ সালে পাকিস্তানে এক অভিযানে লাদেনকে হত্যা করে যুক্তরাষ্ট্র। এরপর থেকে দলটির নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন জাওয়াহিরি। তাকে ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রে চালানো হামলার মূল রূপকার বলে মনে করেন অনেকে।

২০০১ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত ২২ ‘মোস্ট ওয়ান্টেড সন্ত্রাসী’ তালিকায় দুই নম্বরে তার নাম ছিল। এক নম্বরে ছিল ওসামা বিন লাদেনের নাম। সে সময় জাওয়াহিরির মাথার জন্য ২৫ মিলিয়ন ডলার পুরস্কার ঘোষণা করা হয়েছিল।

/এমপি/এমওএফ/
সম্পর্কিত
ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে শেষ হলো রাশিয়ার বিতর্কিত গণভোট
ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে শেষ হলো রাশিয়ার বিতর্কিত গণভোট
সেনা সমাবেশ শুরুর পর কাজাখস্তানে ঢুকেছে ৯৮ হাজার রুশ নাগরিক
সেনা সমাবেশ শুরুর পর কাজাখস্তানে ঢুকেছে ৯৮ হাজার রুশ নাগরিক
ইরানে আমিনি হত্যার প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ইরানে আমিনি হত্যার প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
প্রকাশ্যে এলেন চীনা প্রেসিডেন্ট
প্রকাশ্যে এলেন চীনা প্রেসিডেন্ট
বাংলা ট্রিবিউনের সর্বশেষ
আমরা এখন সস্তা বিনোদন খুঁজি: নওয়াজুদ্দিন
আমরা এখন সস্তা বিনোদন খুঁজি: নওয়াজুদ্দিন
শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ
শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন আজ
মহান পিতার সুযোগ্য কন্যা
মহান পিতার সুযোগ্য কন্যা
দুবাইয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের
দুবাইয়ে সিরিজ জয় বাংলাদেশের
এ বিভাগের সর্বশেষ
ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে শেষ হলো রাশিয়ার বিতর্কিত গণভোট
ইউক্রেনীয় ভূখণ্ডে শেষ হলো রাশিয়ার বিতর্কিত গণভোট
সেনা সমাবেশ শুরুর পর কাজাখস্তানে ঢুকেছে ৯৮ হাজার রুশ নাগরিক
সেনা সমাবেশ শুরুর পর কাজাখস্তানে ঢুকেছে ৯৮ হাজার রুশ নাগরিক
ইরানে আমিনি হত্যার প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
ইরানে আমিনি হত্যার প্রতিবাদকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ
প্রকাশ্যে এলেন চীনা প্রেসিডেন্ট
প্রকাশ্যে এলেন চীনা প্রেসিডেন্ট
ইউক্রেনে পারমাণবিক হামলা নিয়ে যা বললেন পুতিন মিত্র
ইউক্রেনে পারমাণবিক হামলা নিয়ে যা বললেন পুতিন মিত্র