বিপন্ন মানবতার প্রতীক হয়ে তুরস্ক উপকূলে ভেসে ওঠা তিন বছরের সিরীয় শরণার্থী আয়লান কুর্দিসহ আরও চারজনের মৃত্যুর জন্য দায়ী করে দুই সিরীয় নাগরিককে চার বছর করে কারাদণ্ড দিয়েছেন তুরস্কের আদালত। তবে আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, ওই চারজনের মৃত্যুর পেছনে আসামীদের ইচ্ছাকৃত অবহেলা ছিল না।
তুরস্কের যে শহরটিতে আয়লানের মরদেহ ভেসে উঠেছিল সেই বোদরুম শহরের আদালতেই দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিচারকাজ পরিচালনা করা হয়।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়, মানবপাচারের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত মুফাওয়াকা আলাবাশ এবং আসেম আলফ্রেড নামে দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাজা ঘোষণা করা হয়। তবে ইচ্ছাকৃত অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগ থেকে ওই দুই ব্যক্তিকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃত অবহেলার অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের সর্বোচ্চ ৩৫ বছর পর্যন্ত সাজা হতে পারত।
২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে সিরিয়া থেকে সাগরপথে ইউরোপে পাড়ি দেওয়ার সময় নৌডুবিতে প্রাণ হারায় আয়লান। পরে তুরস্ক উপকূলে তার উপুড় হয়ে পড়ে থাকার ছবি প্রকাশের পর গোটা বিশ্বের কাছে বিপন্ন মানবতার প্রতীক হয়ে ওঠে ওই শিশু।
ওই নৌডুবিতে তার মা ও ৫ বছর বয়সী ভাইও প্রাণ হারায়। তবে সেদিন মৃত্যুর হাত থেকে বেঁচে যান আয়লানের বাবা আবদুল্লাহ। তিনি এখন ইরাকে আছেন। সূত্র: বিবিসি, দ্য টেলিগ্রাফ
/এফইউ/বিএ/








