যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা অঙ্গরাজ্যে এবার চার বছরের ছেলের গুলিতে গুরুতর আহত হয়েছেন এক মা। জেমি গিল্ট নামের আহত ওই নারী যুক্তরাষ্ট্রে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার পক্ষে তৎপরতা চালানোর জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
মাথায় কাউবয় হ্যাট, হাতে লম্বা বন্দুক। ফেসবুকে জেমি গিল্টের এই ছবি দেখেই বোঝা যায় বন্দুকের প্রতি তার দুর্বলতা। শুধু বন্দুকই নয়, তার নিশানাও বেশ পাকা। মাকে দেখেই বন্দুকের প্রতি আকৃষ্ট হয় তার চার বছরের শিশুপুত্র। তবে তার নিশানাটা ঠিক আয়ত্তে আসেনি এখনও। আর তাই ছেলের বন্দুকের গুলি গিয়ে লাগল সোজা মায়ের পিঠে। গুলিবিদ্ধ হয়ে প্রায় মৃত্যুর দ্বারপ্রান্তে চলে গিয়েছিলেন ৩১ বছরের এই নারী। গুরুতর আহত অবস্থায় জেমিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি বিপদমুক্ত বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
আত্মরক্ষার্থে নিজের কাছে অস্ত্র রাখার বিষয়টিকে জোরালোভাবে সমর্থন করেন জেমি। আর সেই সূত্রেই বন্দুকের শখ। মঙ্গলবার ফ্লোরিডার পুটনাম কাউন্টি দিয়ে গাড়ি চালিয়ে আসার পথে পেছনের সিটে বসে মায়ের প্রতি গুলি ছোড়ে শিশুটি। শক্তিশালী আধা স্বয়ংক্রিয় হ্যান্ডগানের গুলি সামনের সিট ভেদ করে জেমি গিল্টের পিঠে ঢুকে যায়। গাড়ি থামান গিল্ট। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
গুলিটি গাড়ির ভেতর থেকেই করা হয়েছে সে ব্যাপারে তদন্ত করে নিশ্চিত হয়েছে পুলিশ। গাড়িতে দ্বিতীয় আরোহী বলতে ছিল কেবল তার শিশুপুত্র। আর আগ্নেয়াস্ত্রটি গাড়ির মেঝেতেই পড়ে ছিল।
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার পক্ষে নিয়মিত পোস্ট দেন ৩১ বছর বয়সী গিল্ট। এছাড়া, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার বিষয়টি উৎসাহিত করার জন্য গিল্টের ছবিসহ পোস্টারও প্রকাশ করা হয়েছে।
জানা গেছে, শিশুর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র তুলে দেয়ার দায়ে গিল্টের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা হতে পারে। সরকারি আইনজীবীরা যদি মনে করেন, আগ্নেয়াস্ত্র রাখার ক্ষেত্রে অবহেলা করা হয়েছে তবে তার বিরুদ্ধে এ মামলা হতে পারে। সূত্র: সিএনএন, জি নিউজ।
/এমপি/








