ইউক্রেনের সামরিক সহায়তা তহবিলের অবশিষ্ট অর্থ নিয়ে উদ্বিগ্ন বাউডেন প্রশাসন। ৩০ সেপ্টেম্বর চলতি মার্কিন অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই তহবিলের ৬ শ’ কোটি ডলার ব্যয় করতে চাচ্ছে তারা। সেজন্য কংগ্রেসের সঙ্গে জরুরি বৈঠক চলছে বলে নিশ্চিত করেছেন আলোচনায় সম্পৃক্ত একাধিক সূত্র। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
এপ্রিলে বাইডেন ইউক্রেনের সামরিক সহায়তার জন্য ৬ হাজার ১শ’ কোটি ডলার মূল্যমানের বিলে স্বাক্ষর করেন। তহবিলের পুরোটা এখনও ব্যবহৃত হয়নি। ৩০ সেপ্টেম্বর চলতি অর্থবছর শেষ হলে অবশিষ্ট অর্থ ব্যবহারের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে। তাই কর্মকর্তারা এর মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়া থেকে রক্ষা করতে মরিয়া হয়ে উপায় খুঁজছেন।
ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা প্রদানে সংশ্লিষ্ট একটি প্রধান মার্কিন প্রতিষ্ঠান হচ্ছে প্রেসিডেনশিয়াল ড্রডাউন অথরিটি (পিডিএ)। জরুরি ক্ষেত্রে সহায়তা প্রদানে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা নিশ্চিত করে এটি।
আলোচনায় সম্পৃক্ত কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, পিডিএ কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে সময়সীমা বৃদ্ধির একটি ব্যবস্থা করার চেষ্টা করছে স্টেট ডিপার্টমেন্ট। এই উদ্দেশ্যে মাস শেষ হওয়ার আগেই সিনেট ও হাউজ অব রিপ্রেজেন্টেটিভস এর মাধ্যমে একটি স্বল্পমেয়াদি জরুরি অর্থব্যয় আদেশ অনুমোদন করাতে হবে।
এমন একটি সংকটময় মুহূর্তে এই প্রচেষ্টা চলছে, যখন কুরস্ক অঞ্চলে নিজেদের বাহিনীর অগ্রগতি অব্যাহত রাখার পাশাপাশি ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলীয় পোকরোভস্কে রুশ হুমকিও প্রতিহত করতে হচ্ছে কিয়েভকে।
সম্প্রতি, ১২ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার মূল্যমানের একটি সামরিক সহায়তার ঘোষণা করে প্রশাসন। ২৩ আগস্টের এই সিদ্ধান্তে অন্তর্ভুক্ত ছিল আকাশ প্রতিরক্ষী ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন প্রতিরোধী সরঞ্জাম, সাঁজোয়াযান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও গোলাবারুদ।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে সহায়তার দৃঢ় সমর্থন রয়েছে। তাই এই সমস্যাটির সমাধান অবশ্যই হবে।
চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সম্ভাবনা রয়েছে জেলেনস্কির। বাইডেনের কাছে তিনি নিজের ‘জয়ের পরিকল্পনা’ তুলে ধরবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া, ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহকারী রামস্টেইন গ্রুপ অব নেশনসের সঙ্গে শুক্রবার তার বৈঠক করার কথা রয়েছে।








