মার্কিন নির্বাচনি বিতর্কের পর নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় পড়েছেন সেখানে বসবাসরত হাইতির অভিবাসীরা। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১০ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত এ বিতর্কে ওহাইও অঙ্গরাজ্যের অভিবাসীদের সম্পর্কে অসত্য দাবি করেছেন সাবেক প্রেসিডেন্ট ও রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এতে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হতে পারে বলে অভিবাসীদের ধারণা। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
ওহাইও’র স্প্রিংফিল্ড শহরের বাসিন্দা, ৩৮ বছর বয়সী ভাইলস ডোরসাইনভিল বলেছেন, ‘আমাদের এখন থেকে সতর্ক থাকতে হবে। এখানকার অভিবাসীদের কমিউনিটি সেন্টারে ফোনে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আতঙ্কে আমার এক বন্ধু চাকরি ছেড়ে চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।’
নির্বাচনী বিতর্কে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিকভাবে ট্রাম্প দাবি করেন যে, হাইতির অভিবাসীরা স্থানীয়দের পোষা প্রাণী ধরে নিয়ে খেয়ে ফেলছে। তিনি বলেছেন, ‘তারা কুকুরগুলোকে খেয়ে ফেলছে, যারা বাইরে থেকে এসেছে। বিড়ালগুলোও খাচ্ছে।’
তার এই অদ্ভুত দাবির কোনও প্রমাণ নেই। কিন্তু স্প্রিংফিল্ডের অভিবাসীদের নিরাপত্তা ঝুঁকি ঠিকই বৃদ্ধি পেয়েছে।
ডোরসাইনভিল আরও বলেছেন, ‘স্থানীয়রা আমাদের সম্পর্কে আপত্তিকর কথা বলছে। তার (ট্রাম্প) মন্তব্যের কারণে পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে।’
ট্রাম্পের রাজনৈতিক ক্যারিয়ারের একটা ভিত্তিই হচ্ছে অভিবাসীদের নিয়ে ভুলভাল তথ্য ছড়িয়ে জনপ্রিয়তা বাড়ানো। এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার রানিং মেট, ওহাইও’র সিনেটর জে ডি ভ্যান্স স্প্রিংফিল্ডের অভিবাসীদের নিয়ে প্রায় একই ধরণের মিথ্যা দাবি তুলেছিলেন।
কারও পোষা প্রাণী খেয়ে ফেলার যথাযথ অভিযোগ পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে শহর কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের একজন মুখপাত্র ক্যারেন গ্রেভস বলেন, হাইতির অভিবাসীদের প্রতি সাম্প্রতিক কোনও বিদ্বেষমূলক অপরাধের বিষয়ে তারা অবগত নন। তবে সুযোগসন্ধানী কিছু ব্যক্তি বাসাবাড়িতে চুরি করেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।








