মহানবী (সা.) কে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার পর মিশরের আইনমন্ত্রী আহমেদ আল জিন্দকে বরখাস্ত করা হয়েছে। প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম গার্ডিয়ান তার বরখাস্ত হওয়ার খবর নিশ্চিত করেছে।
শুক্রবার টেলিভিশনে প্রচারিত এক সাক্ষাতকারে ওই মন্ত্রী মন্তব্য করেন, আইন ভঙ্গ করলে তিনি মহানবী হযরত মোহাম্মদ (সা.) কেও কারাগারে প্রেরণ করতেন। তবে নিজের ওই মন্তব্যের জন্য পরবর্তীতে তিনি খুব লজ্জিত হয়েছিলেন। তিনি বলেন, ‘আল্লাহ আমাকে মাফ করুন।’ এ ঘটনায় ক্ষমাও চেয়েছেন তিনি।
তবে তার ওই বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল তাকে বরখাস্ত করেছেন। সরকারি এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী শেরিফ ইসমাইল আহমেদ আল জিন্দকে বরখাস্ত করেছেন। ওই বিবৃতিতে আর কিছু বলা হয়নি।
আল জিন্দকে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন দেশটির বিচারকার। এ বিষয়ে বিচারক ক্লাবের প্রধান আব্দুল ফাত্তাহ বলেছেন, ‘মিশরের মানুষ, বিচার বিভাগ ও জাতিকে রক্ষা করা এমন একজন ব্যক্তিকে এমন ভাবে শাস্তি দেয়া হয়েছে। জিন্দ মুখ ফসকে এই কথা বলেছেন এটা যে কারো ক্ষেত্রেই হতে পারতো।’
উল্লেখ্য, আল জিন্দ আপিল বিভাগের সাবেক বিচারক ছিলেন এবং ২০১১ সালে হোসনি মোবারকের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা মুসলিম ব্রাদারহুডের ইসলামিক আন্দোলনের প্রকাশ্যে বিরোধিতা করেছিলেন। ২০১৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুড সামরিক বাহিনীর কাছে উৎখাত হওয়ার আগ পর্যন্ত মুসলিম ব্রাদারহুডের বিরোধিতা করেছিলেন তিনি।
এর আগে গত মে মাসে বিতর্কিত মন্তব্য করে বরখাস্ত হয়েছিলেন আল জিন্দের পূর্বসূরি। তিনি বলেছিলেন, যে বর্জ্য পরিষ্কার করে, তার সন্তান কখনো বিচারক হতে পারবে না। সূত্র: গার্ডিয়ান
/বিএ/








