মস্কোতে অন্তত ৩২টি ড্রোন দিয়ে হামলা করেছে ইউক্রেন। রবিবারের (১০ নভেম্বর) এই হামলায় শহরের তিনটি প্রধান বিমানবন্দর থেকে ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে ও অন্তত একজন ব্যক্তি আহত হয়েছেন। ২০২২ সালে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে রুশ রাজধানীর ওপর কিয়েভের সবচেয়ে বড় ড্রোন হামলা হিসেবে চিহ্নিত হচ্ছে এটি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মস্কোর মেয়র সের্গেই সোবিয়ানিন জানিয়েছেন, মস্কোর রামেনস্কোয়ে ও কলোমেনস্কি ডিস্ট্রিক্ট এবং প্রধান বিমানবন্দর ডোমোদেদোভো শহরের কাছাকাছি উড়ে আসা ৩২টি ড্রোন গুলি করে বিধ্বস্ত করেছে রুশ বিমানবাহিনী।
তিনি আরও বলেছেন, হামলায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি।
রাশিয়ার ফেডারেল এয়ার ট্রান্সপোর্ট এজেন্সি জানিয়েছে, ডোমোদেদোভো, শেরেমেতেভো ও ঝুকোভো বিমানবন্দর তাদের একাধিক ফ্লাইটের সময় পরিবর্তন করেছে।
তবে রাশিয়ার বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিমানবন্দরগুলো এখন তাদের কার্যক্রম পুনরায় শুরু করেছে।
মস্কো ও তার আশেপাশের এলাকায় অন্তত ২১ মিলিয়ন মানুষ বসবাস করেন। এটি ইউরোপের অন্যতম বৃহত্তম নগরাঞ্চল, যা ইস্তাম্বুলের মতো শহরের সঙ্গে তুলনীয়।
এর আগে, ক্রেমলিন থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত রামেনস্কোয়ে ডিস্ট্রিক্ট, সেপ্টেম্বরে ব্যাপক ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার শিকার হয়েছিল। রুশ বিমান বাহিনী সেবার ২০টি ড্রোন ভূপাতিত করেছিল।
আড়াই বছরের বেশি সময় ধরে চলা ইউক্রেন যুদ্ধ এখন এক নতুন ধাপে পৌঁছেছে। রুশ বাহিনী আগের চেয়ে দ্রুত অগ্রসর হচ্ছে।
এদিকে, ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার কারণে পরিস্থিতি নাটকীয়ভাবে পরিবর্তিত হতে পারে। নির্বাচনি প্রচারণায় তিনি দাবি করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ইউক্রেনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন ট্রাম্প। কিন্তু তার পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি।








