পূর্ব এশিয়ার জলসীমায় যৌথ মহড়া চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার নৌবাহিনী। প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের আগে বৃহস্পতিবার (১৪ নভেম্বর) শেষ যৌথ মহড়া আয়োজন করা হয়। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
মার্কিন রণতরী ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন ক্যারিয়ার ও এর জেট ফাইটারের নেতৃত্বে এ মহড়া পরিচালিত হয়। কোরীয় উপদ্বীপের দক্ষিণ ও জাপানের প্রধান দ্বীপগুলোর পশ্চিমের জলসীমায় এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালে বাইডেনের মধ্যস্থতায় হওয়া একটি চুক্তির ধারাবাহিকতায় এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে। ওই চুক্তির ফলে সিউল ও টোকিও বহু বছরের বিরোধ পেছনে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ত্রিপক্ষীয় নিরাপত্তা সহযোগিতার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়।
সামনের বছর আরও মহড়ার পরিকল্পনা রয়েছে। ত্রিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণে প্রযুক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খলা নিরাপত্তা এবং সাইবার প্রতিরক্ষা খাতেও পদক্ষেপ নিয়েছেন বাইডেন।যদিও ট্রাম্প বা তার প্রতিরক্ষামন্ত্রী হিসেবে মনোনীত পিট হেগসেথ এ অঞ্চলে তাদের নিরাপত্তা পরিকল্পনা এখনও ঘোষণা করেননি।
একাধিক সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ট্রাম্পের মিত্ররা জুনে জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়ার কর্মকর্তাদের আশ্বাস দিয়েছিলেন ত্রিপাক্ষিক সম্পর্ক বজায় রাখতে সমর্থন জানাবেন ট্রাম্প। আগের মেয়াদে, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াকে তাদের দেশে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর জন্য আরও অর্থ প্রদানের জন্য চাপ দিয়েছিলেন ট্রাম্প।
তিন দেশের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে সর্বশেষ বৈঠকে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার সহযোগিতা বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন তিন দেশের নিরাপত্তা উপদেষ্টা- যুক্তরাষ্ট্রের জ্যাক সুলিভান, দক্ষিণ কোরিয়ার শিন ওন-সিক ও জাপানের তাকেও আকিবা।
জাপানে মার্কিন রাষ্ট্রদূত রাম ইমানুয়েল বলেছেন, ত্রিপাক্ষিক চুক্তি ও সামরিক সহযোগিতা ছিল বেইজিংয়ের প্রতি একটি শক্তিশালী বার্তা। তিনি বলেছেন, আমাদের প্রতিরোধ এখন আরও শক্তিশালী। এর ইতিবাচক দিকটি হলো, আমাদের পাশাপাশি চীনও সেটা বুঝতে পারবে।









