শরণার্থী সমস্যা সমাধানের পদক্ষেপ হিসেবে প্রস্তাবিত চুক্তি চূড়ান্ত করতে শুক্রবার তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী আহমেত দাভুতোগলু’র সঙ্গে আলোচনায় বসতে যাচ্ছেন ইউরোপীয়ান কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড টাস্ক। তবে চুক্তি চূড়ান্ত হলেও আগামী এপ্রিলের মধ্যে তুরস্ককে দেওয়া শর্ত ও জুনের মধ্যে বাকি শর্তগুলো পূরণ করলেই তুরস্কের নাগরিকদের ইউরোপে ভিসামুক্ত চলাচলের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ফ্র্যান্স টিমারম্যানস বলেন, 'তুরস্কের নাগরিকদের ইউরোপে ভিসামুক্ত চলাচলের জন্যে সুনির্দিষ্ট কিছু শর্ত মেনে চলতে হবে। এর জন্যে সোজাসাপ্টা কোন পথ নেই। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে প্রয়োজনীয় সব শর্ত পূরণ করতে পারলেই কেবল তুর্কীদের ভিসামুক্ত চলাচলের সুযোগ দেয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।'
তবে এ চুক্তির মাধ্যমে ইউরোপে শরণার্থী সমস্যার সমাধান হবে- ইইউ নেতারা তা মনে করলেও স্পেনের নাগরিকরা মনে করছেন এর ফলে শরণার্থীদের মানবাধিকার লঙ্ঘিত হবে। প্রকৃত শরণার্থীদের ইউরোপে ফিরিয়ে নেয়ার ব্যাপারে তুরস্ক ও ইইউ'র সমঝোতাকে অবৈধ দাবি করে বুধবার স্পেনের বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ করে হাজার হাজার মানুষ।
মানবাধিকার সংস্থাগুলোর উদ্যোগে স্পেনের প্রায় ৫০টি শহরে প্রস্তাবিত চুক্তির বিরোধিতা করে বিক্ষোভ হয়।
এদিকে প্রস্তাবিত চুক্তি চূড়ান্ত হলেই তুরস্কের নাগরিকরা ইউরোপে ভিসামুক্ত চলাচলের সুবিধা পাবেন কি না তা বিবেচনা করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট।
বুধবার আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর ত্রাণবাহী গাড়ি গ্রিসের ইদোমেনি গ্রামের শরণার্থী শিবিরে পৌঁছানোর পর এক টুকরো কাপড় আর খাবারের আশায় সেখানে নারী- শিশুসহ জড়ো হয় প্রায় ১০ হাজার শরণার্থী।








