জিম্মিদের হামাস হত্যা করলেও পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে ইসরায়েলি বাহিনীর: প্রতিবেদন 

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৩৯আপডেট : ২৫ ডিসেম্বর ২০২৪, ১৫:৩৯

হামাসের হাতে ছয় জিম্মি নিহত হওয়ার পেছনে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর কর্মকাণ্ডের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কর্তৃক প্রকাশিত এক তদন্ত প্রতিবেদনে এ দাবি করা হয়। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে। 

প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, আটককৃতদের হাতেই জিম্মিরা নিহত হয়েছেন। তবে ওই অঞ্চলে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর সতর্ক পদক্ষেপ সত্ত্বেও এই হত্যাকাণ্ডে তাদের কর্মকাণ্ডের পরোক্ষ প্রভাব রয়েছে। 

গত বছরের ৭ অক্টোবর ইসরায়েলে প্রবেশ করে হামলা চালায় ফিলিস্তিনি সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস। ওই হামলায় অন্তত এক হাজার ২০০ ইসরায়েলি নিহত ও ২৫০ জনকে জিম্মি করে গাজায় ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে ইসরায়েল দাবি করে আসছে। এর জবাবে ফিলিস্তিনে সামরিক আগ্রাসন শুরু করে তেল আবিব। গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য মোতাবেক, ইসরায়েলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৪৫ হাজার ফিলিস্তিনি প্রাণ হারিয়েছেন। 

গত সেপ্টেম্বরে ছয় জিম্মির মরদেহ খুঁজে পায় ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, মরদেহ উদ্ধারের ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টা আগে তাদের হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। 

জিম্মিদের মরদেহ খুঁজে পাওয়ার পর ইসরায়েলে ব্যাপক ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। হামাসের সঙ্গে জিম্মিমুক্তি চুক্তি করার জন্য কার্যকর সরকারি পদক্ষেপের দাবি জানিয়ে প্রায় পাঁচ লক্ষ লোক বিক্ষোভে অংশগ্রহণ করেন। 

ওই এলাকায় জিম্মিদের অবস্থানের কোনও তথ্য সেনাবাহিনীর কাছে আগে থেকে ছিল না বলেও তদন্তে পাওয়া গেছে। 

জিম্মি ও নিখোঁজদের স্বজনদের নিয়ে গঠিত পরিষদের বিবৃতিতে বলা হয়, কেবল যথাযথ চুক্তির মাধ্যমেই জিম্মিদের নিরাপদে ফিরিয়ে আনা সম্ভব। তদন্তে সেটা আরও ভালোভাবে প্রমাণিত হলো। 

গাজায় এখনও শতাধিক জিম্মি আটক রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। তাদের মুক্তির জন্য ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে আলোচনা চলমান আছে। 

 

/এসকে/
সম্পর্কিত
কুয়েত ও বাহরাইনে হামলার পক্ষে যুক্তি তুলে ধরে যা বললেন আরাঘচি
ইরাকে অস্ত্র জমা দেওয়ার ঘোষণা ইরানপন্থি দুই মিলিশিয়া গোষ্ঠীর
বোফোর্ট দুর্গে ইসরায়েলি সেনাদের লক্ষ্য করে হিজবুল্লাহর হামলা
সর্বশেষ খবর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
বিএনপির কর্মী খুন, জামায়াত নেতাসহ ১২ জনের বাড়িতে হামলা-ভাঙচুর
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
মন্ত্রিত্ব ছাড়া দীপেন দেওয়ান লিখলেন ‘বিএনপি আমার শেষ ঠিকানা’
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
গৃহবধূকে ধর্ষণ, ছাত্রদল নেতা গ্রেফতার
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
রাতে মেট্রোরেল চলাচলের সময় বাড়ছে
সর্বাধিক পঠিত
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
ইউএনজিএ’র সভাপতি হিসেবে কী সুবিধা পাবেন খলিলুর রহমান, দায়িত্ব কী  
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
করদাতাদের জন্য ‘মাস্টারপ্ল্যান’, ২০৩১ পর্যন্ত করমুক্ত আয়ের সীমা কত হচ্ছে জানুন
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম