বাড়ির সামনে ৩ হাজার পুলিশ, অবশেষে গ্রেফতার দ. কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:১৮আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫, ০৯:১৮

অবশেষে গ্রেফতার হলেন দক্ষিণ কোরিয়ার অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওল। সামরিক আইন জারিকে কেন্দ্র করে দেশদ্রোহে জড়িত থাকার অভিযোগে বুধবার (১৫ জানুয়ারি) তাকে গ্রেফতারে বাড়ির সামনে তিন হাজারের বেশি পুলিশ অবস্থান নেন। তদন্তকারীদের বরাতে ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।

সহিংসতা এড়াতে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সহায়তা করেছেন বলে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে দাবি করেছেন ইউন। তিনি বলেছেন, গ্রেফতারকারীরা দমকলবাহিনীর সরঞ্জাম দিয়ে নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেছিল। তখনই আমি সিদ্ধান্ত নেই, অনাকাঙ্ক্ষিত রক্তপাত এড়াতে কর্তৃপক্ষের অবৈধ তদন্তে সহায়তা করব।

গত কয়েক সপ্তাহ ধরে পাহাড়ের ধারে নিজের বাসভবনে অবস্থান করছিলেন ইউন। উচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিদ্যুতায়িত কাঁটাতার ঘেরা  বাসভবনে ছিল তার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীর ছোট একটি দল।

বুধবার ভোরে তিন হাজারের বেশি পুলিশ ইউনকে গ্রেফতার করতে তার বাড়ির সামনে উপস্থিত হন। গ্রেফতারের পর প্রেসিডেন্সিয়াল গাড়ি বহর নিয়ে দুর্নীতি দমন সংস্থার কার্যালয়ে উপস্থিত হন ইউন।

ইউনের আইনজীবীরা বলেছেন, অভিশংসিত প্রেসিডেন্টকে গ্রেফতারের পুরো প্রক্রিয়াই অবৈধ। সব কিছু করা হচ্ছে জনসম্মুখে তাকে অপদস্থ করার জন্য। দেশটির ইতিহাসে ক্ষমতাসীন বা অভিশংসিত প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইউন সুক ইওল একমাত্র ব্যক্তি, যার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ান জারি হয়েছে এবং তা কার্যকর করা হয়েছে।

গ্রেফতারের সময়, ইউনের বাসভবনের বাইরে তার আবেগপ্রবণ সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের হাতাহাতি হয়েছে বলে রয়টার্সের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন।

গত ৩ ডিসেম্বর দেশে সামরিক শাসন জারি করে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজনীতির মাঠ উত্তপ্ত করে ফেলেন ইউন সুক ইওল। আদালতের বিরোধিতার মুখে ছ ঘণ্টা পর সামরিক আইন বাতিলে বাধ্য হলেও দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গন এখনও শান্ত হয়নি।

গত ১৪ ডিসেম্বর দক্ষিণ কোরিয়ার পার্লামেন্ট তাকে অভিশংসিত করে। বর্তমানে তার অভিশংসন মামলা সাংবিধানিক আদালতে রয়েছে। সেখান থেকে ১৮০ দিনের মধ্যে রায় দেওয়া হবে ইউনের স্থায়ী অপসারণ বা পদে পুনর্বহালের বিষয়ে। 

/এসকে/
সম্পর্কিত
ইরান ও লেবাননে একসঙ্গেই যুদ্ধ শেষ হতে হবে: আরাঘচি
হাদি হত্যা নিয়ে মন্তব্যের জের, মমতার বিরুদ্ধে মামলা
মধ্যপ্রাচ্যের তিন যুদ্ধবিরতিকেই কেন যুদ্ধ মনে হচ্ছে
সর্বশেষ খবর
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
তেল ও বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর গণবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করতে হবে: জামায়াত
সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ ম্যাচে প্রথমবার থাকছে ভিএআর 
সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশ ম্যাচে প্রথমবার থাকছে ভিএআর 
বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম কমানোর দাবি এনসিপির
বিদ্যুৎ-জ্বালানির দাম কমানোর দাবি এনসিপির
ভৈরবে রেলপথ অবরোধ: ৫টি ট্রেন মাঝরাস্তায় আটকা, চলাচল ব্যাহত
ভৈরবে রেলপথ অবরোধ: ৫টি ট্রেন মাঝরাস্তায় আটকা, চলাচল ব্যাহত
সর্বাধিক পঠিত
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
দায়িত্ব ছাড়ার প্রসঙ্গে হুমায়ুন রশীদ চৌধুরীর উদাহরণ টানলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
যুদ্ধবিরোধী প্রস্তাব পাসের পর এবার কী ঘটবে ইরানে
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
শিশু রামিসা হত্যাকাণ্ড: নিজেকে নির্দোষ দাবি ডলারের
আপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশাআপা ডাকায় নয়, বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি