কঙ্গোতে অনুপ্রবেশকারী এম ২৩ বিদ্রোহীদের কঠোর হাতে দমন করা হবে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফেলিক্স তিশিসেকেদি। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় গোমা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দক্ষিণ দিকে গোষ্ঠীটি তাদের অগ্রযাত্রা অব্যাহত রেখেছে বলে জানা গেছে। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।
বুধবার (২৯ জানুয়ারি) গভীর রাতে টেলিভিশনে প্রচারিত এক ভাষণে প্রেসিডেন্ট বলেছেন, অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ও সমন্বিত পদক্ষেপ নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের নিষ্ক্রিয় ভূমিকার সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, চলমান নিরাপত্তা সংকট মোকাবিলায় পর্যাপ্ত পদক্ষেপ নেয়নি তারা।
বিদ্রোহীদের সঙ্গে কয়েক সপ্তাহের সংঘর্ষে ভয়াবহ মানবিক সংকট সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। জাতিসংঘের মতে, চলমান সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত পাঁচ লাখের মতো মানুষ উদ্বাস্তু হয়েছেন। লড়াই বন্ধে আন্তর্জাতিক মহলের দিক থেকে চাপ বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে সেনাবাহিনীকে সমর্থন দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তিশিসেকেদি বলেছেন, ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো নিজেদের অপমানিত বা পদদলিত হতে দেবে না। এই বিষয়ে সবাই নিশ্চিত থাকুন। আমরা লড়ব এবং জয়ী হব।
গত সোমবার আকস্মিকভাবে কঙ্গোর সীমানা অতিক্রম করে অনুপ্রবেশ করে রুয়ান্ডা সমর্থিত এম ২৩ বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তারপর গোমা শহর ও এর বিমান বন্দরের দখল নেয় তারা। শহরজুড়ে খুন-ধর্ষণের খবর পাওয়া গেছে। অনুপ্রবেশের পর থেকে শহরে বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন রয়েছে এবং খাদ্যের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।








