হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকে রীতিমতো নাস্তানাবুদ হয়ে বেরিয়ে এসেছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। তাকে শাসন করার ধাঁচে একাধিকবার বলা হয়েছে, এতদিন মার্কিন সহায়তা পেয়েও তিনি ঠিকমতো কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেননি। সেই ক্ষোভ থেকেই যেন হোয়াইট হাউজ থেকে একরকম বিতাড়িত হয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এক পোস্টেই দিলেন চারবার ধন্যবাদ।
হোয়াইট হাউজের বৈঠকের পর জেলেনস্কিসহ একাধিক বিশ্বনেতা ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্সে এইসব প্রতিক্রিয়া নিয়ে তৈরি প্রতিবেদনের চুম্বক অংশ নিয়ে এই লেখাটি তৈরি করা হয়েছে।
কানাডা
প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ইউক্রেন অবৈধভাবে দখল করে বসে আছে রাশিয়া। তবে তিন বছর ধরে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছেন ইউক্রেনীয়রা। গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য তাদের লড়াই আমাদের সবার কাঁচেই গুরুত্বপূর্ণ। তাদের প্রতি কানাডার সমর্থন বজায় থাকবে।
হাঙ্গেরি
প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর ওরবান বলেছেন, শক্তিমান ব্যক্তি শান্তি চায় আর দুর্বল চায় যুদ্ধ। আজ শান্তির জন্য বীরের মতো অবস্থান নিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। অবশ্য তার বক্তব্য অনেকের জন্যই হজম করা কঠিন ছিল। আপনাকে ধন্যবাদ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।
জার্মানি
চ্যান্সেলর ওলাফ শলৎজ বলেছেন, ইউক্রেনীয় নাগরিকরাই সবচেয়ে বেশি শান্তি চায়। জার্মানি ও ইউরোপের ওপর ইউক্রেন নির্ভর করতে পারে।
ফ্রান্স
রাশিয়াকে আগ্রাসক এবং ইউক্রেন তাদের শিকার উল্লেখ করে প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ইউক্রেনকে সহায়তা করে যাওয়া এবং রাশিয়াকে নিষেধাজ্ঞার আওতায় এনে সঠিক কাজটিই হয়েছে বলে আমি বিশ্বাস করি। আমরা, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, কানাডা, জাপান ও অন্য মিত্ররা সহায়তা চালিয়ে যাবে। আর এই যুদ্ধের শুরু থেকে যারা পাশে আছেন, তাদের সবাইকে আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই।
ইতালি
বিভাজনে কারও উপকার হবে না বলে সতর্ক করেছেন প্রধানমন্ত্রী জর্জিও মেলোনি। তিনি প্রস্তাব করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং অন্য মিত্রদের মধ্যে অবিলম্বে এক সম্মেলনের আয়োজন করা দরকার। ইউক্রেন ইস্যু আমাদের প্রাথমিক লক্ষ্য হলেও আমাদের প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো নিয়ে আলোচনা করা দরকার।
ব্রিটেন
প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের মুখপাত্র জানিয়েছেন, ইউক্রেনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর সমর্থন অটুট আছে। ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার ভিত্তিতে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ খুঁজে বের করাই এখন ব্রিটেনের লক্ষ্য।








