হোয়াইট হাউজে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর দেশবাসীর সমর্থন পাচ্ছেন ইউক্রেনীয় প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। শুক্রবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) ওই বৈঠকে জেলেনস্কিকে অকৃতজ্ঞতার জন্য অভিযুক্ত করেছেন ট্রাম্প। পাশাপাশি, খনিজ সম্পদ চুক্তির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক দৃঢ় করার পরিকল্পনা থাকলেও কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই বেরিয়ে যান জেলেনস্কি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
কিয়েভের বাসিন্দা এবং পেশায় মানব সম্পদ ব্যবস্থাপক মিলা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি হাল ছেড়ে দেওয়ার মানুষ নন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট সেটা বুঝতে পেরেছেন।
বৈঠকে ট্রাম্পের প্রতি চ্যালেঞ্জ জানিয়ে জেলেনস্কি রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে সখ্যতা এড়িয়ে চলার আহ্বান জানিয়েছেন। তার এই কথা ভালোভাবে নেননি ট্রাম্প। জেলেনস্কি প্রায় তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বাধিয়ে দেওয়ার উপক্রম করছেন বলে অভিযোগ করে ট্রাম্প বলেছেন, মার্কিন সামরিক সহায়তা পাওয়ার পরও অকৃতজ্ঞের মতো আচরণ করছেন জেলেনস্কি।
ইউক্রেনীয় এক ব্যবসায়িক পরামর্শক ওকসানা বলেছেন, ইউক্রেন তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের জুয়া খেলছে না, বরং তারাই এই জুয়ার প্রধান গুটি।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইউক্রেনীয় কর্মকর্তা ও অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিবর্গ জেলেনস্কির সমর্থনেই বক্তব্য দিয়েছেন। তিন বছরের যুদ্ধে বিধ্বস্ত দেশে ঐক্যের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আন্দ্রিই সিবিহা বলেছেন, প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি একজন সাহসী লোক। তিনি সত্যের জন্য লড়তে জানেন।
যদিও বেশিরভাগ কিয়েভের বাসিন্দা মনে করেন ইউক্রেন যেকোনও পরিস্থিতিতে টিকে থাকবে, অনেকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতিতে শঙ্কিত। ৫৯ বছর বয়সী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আন্দ্রিই বলেছেন, আমরা যদি মার্কিন অস্ত্র না পাই, তবে এই যুদ্ধ জেতা সম্ভব নয়। আমি জানি না এরপর কী হবে।








