মোজাম্বিকে পাওয়া ধ্বংসাবশেষগুলো নিখোঁজ বিমানের বলে ‘অনেকটাই নিশ্চিত’

বিদেশ ডেস্ক
২৪ মার্চ ২০১৬, ১২:৫৫আপডেট : ২৪ মার্চ ২০১৬, ১২:৫৫
image

নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের সম্ভাব্য ধ্বংসাবশেষ মোজাম্বিকে পাওয়া বিমানের দুটি ধ্বংসাবশেষ যে নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানেরই, তা ‘প্রায় নিশ্চিত’ বলে জানিয়েছেন অস্ট্রেলীয় বিশেষজ্ঞরা। অস্ট্রেলিয়ার পরিবহনমন্ত্রী ড্যারেন চেস্টার জানিয়েছেন, ধ্বংসাবশেষগুলো পরীক্ষার পর বিশেষজ্ঞরা এগুলোকে নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমানের বলেই মনে করছেন। সাগরের ঢেউ এগুলোকে মোজাম্বিকে নিয়ে যায়।
চেস্টার জানান, পরীক্ষা করে দেখা গেছে, ধ্বংসাবশেষগুলো বোয়িং ৭৭৭ এয়ারক্রাফটের, যারা ওই নিখোঁজ বিমানের নির্মাতা। এই বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘বিশ্লেষণে এটি ‘প্রায় নিশ্চিত’ যে, ওই ধ্বংসাবশেষগুলো এমএইচ৩৭০ বিমানটিরই।’ তিনি আরও বলেছেন, এটি প্রমাণ করে যে, ভারত মহাসাগরের দক্ষিণে চালানো অস্ট্রেলিয়ার নেতৃত্বাধীন অনুসন্ধান সঠিক পথেই এগোচ্ছে। ওই অনুসন্ধানে চীন এবং মালয়েশিয়ার বিশেষজ্ঞরাও যুক্ত রয়েছেন।
চেস্টার আরও জানান, অনুসন্ধান দল তাদের কাজ চালিয়ে যাবে। সাগরের আরও ২৫ হাজার বর্গ কিলোমিটার এলাকায় অনুসন্ধান চালানো বাকি রয়েছে। তিনি বলেন, আমরা আমাদের কাজ সম্পন্ন করতে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ আর বিমানটি খুঁজে পাওয়ার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী।
চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে মোজাম্বিকে একটি ধ্বংসাবশেষ খুঁজে পাওয়া যায়। এর আগে অস্ট্রেলিয়ান ট্রান্সপোর্ট সেফটি ব্যুরোর মুখপাত্র ড্যান ও’ ম্যালি জানান,দক্ষিণ আফ্রিকার একটি পরিবার গত বছর ডিসেম্বরে আফ্রিকার পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় ছুটি কাটাতে গিয়ে বিমানের একটি ধ্বংসাবশেষ দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল থেকে ধ্বংসাবশেষটি উদ্ধার করে।

তখন অস্ট্রেলীয় কর্তৃপক্ষ দাবি করে,ধ্বংসাবশেষটি বোয়িং ৭৭৭-এর। আর ওই অঞ্চলে এমএইচ৩৭০ ছাড়া আর কোনও বোয়িং ৭৭৭ বিমান নিখোঁজ হয়নি।

মোজাম্বিকে পাওয়া মালয়েশীয় বিমানের ধ্বংসাবশেষ

গত বছর ভারত মহাসাগরের রিইউনিয়ন দ্বীপে দুই মিটার লম্বা ‘ফ্ল্যাপেরন’ নামে পরিচিত বিমানের একটি ডানা খুঁজে পেয়ে সেটি নিখোঁজ মালয়েশীয় বিমান এমএইচ৩৭০-এর বলে নিশ্চিত করে ফরাসি ও মালয়েশীয় তদন্ত দল।

চলতি মাসে রোলস রয়েসের লোগো সহ একটি ধ্বংসাবশেষ পাওয়া যায় দক্ষিণ আফ্রিকায়। তবে তা এখনও পরীক্ষাধীন অবস্থায় রয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালের ৮ মার্চ ২৩৯ আরোহী নিয়ে মালয়েশিয়ান এয়ারলাইন্সের এমএইচ৩৭০ বিমানটি কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রার পর নিখোঁজ হয়।  দু’বছরেও এর কোনো হদিস পাওয়া যায়নি। এমনকি এখনও পর্যন্ত একজন আরোহীরও সন্ধান মেলেনি। ধারণা করা হয়, বিমানটি ভারত মহাসাগরে পতিত হয়েছে। কুয়ালালামপুর থেকে বেইজিংগামী ওই ফ্লাইটটিতে বেশিরভাগ যাত্রীই ছিলেন চীন,মালয়েশিয়া এবং অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। সূত্র: বিবিসি।

/এসএ/এফইউ/

সম্পর্কিত
ড্রোন কিনতে ২০০০ বিলিয়ন রুপি ব্যয়ের পরিকল্পনা ভারতের
মমতার বিরুদ্ধে বিদ্রোহে সফল ঋতব্রত, নেপথ্যে কী
তৃণমূলের বিদ্রোহী নেতা কে এই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়
সর্বশেষ খবর
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
বাবা-মেয়েসহ ইজিবাইকের ৩ যাত্রী নিহত
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
‘বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত জনদুর্ভোগকে আরও তীব্র করবে’
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
নজরুলের ‘কাণ্ডারী হুঁশিয়ার’ গানের শতবর্ষ পালনের আহ্বান ১৪ সাংস্কৃতিক সংগঠনের
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
মদ্যপ স্বামীকে পিটিয়ে হত্যার পর থানায় গিয়ে স্ত্রীর আত্মসমর্পণ
সর্বাধিক পঠিত
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
তৃতীয় বিয়ের পিঁড়িতে বসতে যাচ্ছেন আমির খান
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
হতাশা থেকে আত্মহত্যা বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালকের, ধারণা পুলিশের
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ