রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে সতর্ক করে জার্মান অর্থমন্ত্রী এবং ভাইস চ্যান্সেলর লারস ক্লিংবেইল বলেছেন, ইউক্রেনের প্রতি তাদের সমর্থন দুর্বল হয়নি। সোমবার (২৫ আগস্ট) এক ঝটিকা সফরে কিয়েভ পৌঁছে এ কথা বলেন তিনি। ব্রিটিশ বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
তিনি বলেছেন, ইউক্রেনের প্রতি জার্মানির সমর্থন নড়বড়ে হয়ে গেছে-পুতিনের এমন কোনও বিভ্রান্তি থাকা উচিত নয়। বরং ইউক্রেনের প্রতি সহায়তার দিকে আমরা ইউরোপের বৃহত্তম দেশ এবং বিশ্বে আমাদের অবস্থান এক্ষেত্রে দ্বিতীয়।
জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মার্জের নেতৃত্বাধীন জোট সরকারের একটি দল সোশ্যাল ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান হচ্ছে ক্লিংবেইল। তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, রুশ আগ্রাসন শুরুর পর থেকে জার্মান সরকারের তরফ থেকে ইউক্রেনকে ছয় হাজার কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা প্রদান করা হয়েছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ৮০ বছরে ইউরোপের সবচেয়ে প্রাণঘাতী এই সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে শান্তি প্রক্রিয়ায় আগ্রহ দেখাতে পুতিনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন ক্লিংবেইল। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে শুরু হওয়া যুদ্ধে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দ্রুত সমাপ্তির আহ্বান জানালেও কিয়েভ ও তার মিত্ররা আশঙ্কা করছে, তিনি রাশিয়ার সুবিধাজনক সমাধান চাপিয়ে দিতে পারেন।
ক্লিংবেইল বলেন, শান্তি আলোচনায় ইউক্রেনকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এছাড়া, দীর্ঘস্থায়ী শান্তির জন্য যুদ্ধবিরতি ও নির্ভরযোগ্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিষয়টিও বিবেচনায় রাখতে হবে।
ইউক্রেনের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার জন্য সম্ভাব্য সমাধান হিসেবে 'ইচ্ছুকদের জোট'ভুক্ত দেশের তরফ থেকে সেনা মোতায়েনের বিষয়ে চলতি সপ্তাহে রাজি হয়েছেন ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ এবং ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।
সম্ভাব্য ওই জোটে জার্মানি অংশগ্রহণের জন্য জার্মানির তরফ থেকে আপত্তি নেই বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন চ্যান্সেলর মার্জ। তবে ওই জোটে যুক্ত হলে তিনি দলের ভেতরে-বাইরে তীব্র বিরোধিতার মুখে পড়তে পারেন।








