যুক্তরাষ্ট্রের নৌবাহিনীর একজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্য দেশের কাছে সংবেদনশীল রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের অভিযোগ উঠেছে। এরইমধ্যে তার বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ আনা হয়েছে। রবিবার একজন মার্কিন কর্মকর্তা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে এ খবর নিশ্চিত করেন। ওই কর্মকর্তা জানান, অভিযুক্ত ব্যক্তি সম্ভবত চীন ও তাইওয়ানের কাছে রাষ্ট্রীয় গোপন তথ্য পাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পতিতাবৃত্তিতে সম্পৃক্ততা এবং অবৈধ যৌন সম্পর্কের অভিযোগও রয়েছে ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই মার্কিন কর্মকর্তা রয়টার্সকে বলেন, সন্দেহভাজন হিসেবে শনাক্ত করা ওই কর্মকর্তা হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এডওয়ার্ড লিন। তাইওয়ানে জন্ম নেওয়া ওই ব্যক্তি পরে মার্কিন নাগরিকত্ব লাভ করেন। ২০০৮ সালে নৌবাহিনীতে লেখা তার প্রোফাইল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
সন্দেহভাজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে চার্জশিট দেওয়া হলেও সেখানে তার নাম উল্লেখ করা হয়নি। এমনকি কোন দেশের হয়ে তিনি এ কাজ করেছেন তারও উল্লেখ নেই। অর্থাৎ, নৌবাহিনীর তরফ থেকে তার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানাতে অস্বীকৃতি জানানো হয়েছে। সেখানে শুধু তার অপরাধের ধরন সম্পর্কে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অন্য দেশ থেকে সুবিধা গ্রহণের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় তথ্য পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে। মার্কিন সূত্রগুলো বলছে, সম্ভবত তিনি চীন ও তাইওয়ানের কাছে তথ্য পাচার করেছেন। তবে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
গুপ্তচরবৃত্তি ছাড়াও লেফটেন্যান্ট কমান্ডার এডওয়ার্ড লিন-এর বিরুদ্ধে পতিতাবৃত্তিতে সম্পৃক্ততা এবং অবৈধ যৌন সম্পর্ক রাখার অভিযোগ রয়েছে। গত আট মাস ধরে তিনি বিচারপূর্ব কারাবাস যাপন করছেন। সূত্র: রয়টার্স।
/এমপি/







