বিশ্বের রাজনৈতিক আকাশে প্রতিদিনই নতুন মেঘ জমছে, নতুন ঝড় উঠছে। বৈশ্বিক নীতি-নির্ধারণের নীরব সিদ্ধান্ত থেকে শুরু করে ভূ-রাজনীতির জটিল খেলা, কূটনীতির অদৃশ্য সুতো, সংঘাতের আগুন এবং প্রতিরক্ষা খাতের নীরব প্রস্তুতি- সবকিছু মিলিয়ে যেন এক অবিরাম পরিবর্তন চলছে। এই পরিবর্তনের প্রতিটি দৃশ্য আজকের বিশ্বব্যবস্থাকে নতুন করে গড়ে তুলছে, ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা দিচ্ছে। ২৪ অক্টোবর (শনিবার) বাংলা ট্রিবিউনে প্রকাশিত আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনগুলোর কয়েকটি পাঠকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে।
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন; ফের যুদ্ধের দামামা: ওয়াশিংটনকে আগুন নিয়ে না খেলার হুঁশিয়ারি তেহরানের; বিশ্বে সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়; জনসংখ্যা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা চীনের; ‘রাজীব ছিলেন খুব সুদর্শন’, প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি জানালেন সোনিয়া; যে কাতার বাংলাদেশকে এলএনজি দিতো, তারাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা- এই খবরগুলো নিয়ে সাজানো হয়েছে আজকের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলোর এই সংকলন।
ফ্রান্সে বিক্ষোভ ঘিরে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন
গত সপ্তাহান্তে দেশকে নাড়া দেওয়া সহিংসতা ও লুটপাটের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে শনিবারের দেশব্যাপী বিক্ষোভে ৭০ হাজার পুলিশ মোতায়েন করেছে ফ্রান্স। শুক্রবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ এ কথা জানান। নিয়মিত ইউনিটগুলোর পাশাপাশি অভিজাত নিরাপত্তা দল এবং ভারী অস্ত্রসজ্জিত মোবাইল স্কোয়াড মোতায়েন করা হবে। সরকার রাস্তার নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে, এমন আশঙ্কা দূর করতে শক্তি প্রদর্শনের এ উদ্যোগ। নুনেজ সাংবাদিকদের বলেন, দাঙ্গাকারী, লুটেরা এবং সহিংসতায় জড়িত সবার বিরুদ্ধে আমরা আপসহীন থাকব। তিনি আরও বলেন, অতি বামপন্থি গোষ্ঠীগুলো ভবনকে লক্ষ্যবস্তু করতে এবং আরও নৈরাজ্য ছড়াতে অনলাইনে সরকারি কর্মীদের উসকানি দিচ্ছে।
ফের যুদ্ধের দামামা: ওয়াশিংটনকে আগুন নিয়ে না খেলার হুঁশিয়ারি তেহরানের
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল আবার ইরানে হামলা করলে উপসাগরীয় অঞ্চলের সাবমেরিন যোগাযোগ ক্যাবলকে লক্ষ্যবস্তু করার বিস্তারিত পরিকল্পনা তৈরি করেছে তেহরান। ইরানের দুই জ্যেষ্ঠ নিরাপত্তা কর্মকর্তা রয়টার্সকে এ কথা বলেছেন। ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনীতি ভেঙে পড়লে নতুন কোনও সংঘাতে অঞ্চলটির সাবমেরিন ক্যাবল লক্ষ্যবস্তু হতে পারে বলে ইরানি কর্মকর্তাদের সতর্কবার্তার পর তাদের এ মন্তব্য এলো।
বিশ্বে সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত যুক্তরাষ্ট্র, বাংলাদেশের অবস্থান কোথায়
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে ঋণগ্রস্ত দেশ। এদিকে জীবনযাত্রার ব্যয়বৃদ্ধি, কম মজুরি, বাড়ির আকাশছোঁয়া দাম ও অর্থসংকটে থাকা স্কুলের প্রতিবাদে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউরোপজুড়ে কয়েক লাখ মানুষ রাস্তায় নেমেছেন। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, ইতালি ও পর্তুগালের বিক্ষোভ কখনও কখনও সংঘর্ষ, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগে গড়িয়েছে, যদিও অনেক বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ ছিল। অস্থিরতার কেন্দ্রে রয়েছে ফ্রান্স। শিক্ষা ও জীবনযাত্রার ব্যয় নিয়ে কয়েক সপ্তাহের শিক্ষার্থী আন্দোলনের মধ্যে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সারা দেশে ৫ লাখ ৫০ হাজারেরও বেশি মানুষ বিক্ষোভ করেছেন।
জনসংখ্যা বাড়াতে নতুন পরিকল্পনা চীনের
জনসংখ্যা কমে যাওয়া ও জন্মহার রেকর্ড পরিমাণে নেমে আসার পরিস্থিতি মোকাবিলায় পরিবারগুলোর জন্য আরও সহায়তা বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে চীন সরকার। নতুন করে জন্ম নেওয়া শিশুর সংখ্যা স্থিতিশীল রাখতে বিয়ে, সন্তান জন্মদান, শিশুর লালনপালন ও শিক্ষাসংক্রান্ত নীতিতে পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করছে দেশটির সরকার। শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) চীনের মন্ত্রিসভা বা স্টেট কাউন্সিলের এক বৈঠকের পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে প্রচারিত বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
‘রাজীব ছিলেন খুব সুদর্শন’, প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি জানালেন সোনিয়া
কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী জানিয়েছেন, প্রথমবার রাজীব গান্ধীকে দেখেই তার সঙ্গে সময় কাটানোর প্রতি এক ধরনের আকর্ষণ অনুভব করেছিলেন তিনি। রাজীবের সুদর্শন চেহারার পাশাপাশি তার কোমল স্বভাবও সোনিয়ার মনে গভীর ছাপ ফেলেছিল। শনিবার (২৪ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে নিজের আসন্ন বই ‘বিলংগিং: আ জার্নি অব লাভ’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে এসব স্মৃতিচারণ করেন সোনিয়া। আগামী ১০ নভেম্বর বইটি প্রকাশিত হবে। এতে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর সঙ্গে তার স্মৃতি এবং তরুণ বয়স থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জীবনের যাত্রা তুলে ধরা হয়েছে।
যে কাতার বাংলাদেশকে এলএনজি দিতো, তারাই এখন যুক্তরাষ্ট্রের ক্রেতা
ইরান যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে বাংলাদেশসহ বিশ্বজুড়ে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রফতানিতে অন্যতম শীর্ষে ছিল কাতার। বাংলাদেশ কাতার থেকে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তির আওতায় প্রতি বছর প্রায় ৪০ কার্গো এলএনজি আমদানি করতো। তবে যুদ্ধ শুরুর মাত্র আট মাসের মাথায় পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে বদলে গেছে। নিজেদের উৎপাদন সক্ষমতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় ও প্রধান সামুদ্রিক পথ অবরুদ্ধ থাকায় এখন প্রধান প্রতিযোগী দেশ যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকেই এলএনজি কিনতে বাধ্য হচ্ছে উপসাগরীয় এই দেশটি।
সুন্দরবনের উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ ঘোষণা শুভেন্দুর
বিক্ষোভের শঙ্কায় ইতালিতে বাড়িতে বাড়িতে পুলিশের হানা