অস্ট্রেলিয়ায় নতুন করে শনাক্ত হওয়া পারিচো নামের ভাইরাসটি মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষতিসাধন ও শারীরিক বৃদ্ধি বিলম্বিত করার জন্য দায়ী। অস্ট্রেলিয়ান সোসাইটি ফর ইনফেকশাস ডিজিজেস (এএসআইডি) এর এক গবেষণা প্রতিবেদনে এম দাবি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা কিংবা ভাইরাসটি ঠেকাতে ভ্যাক্সিন আবিষ্কার করা সম্ভব হয়নি।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক খবরে বলা হয়, ২০১৩ ও ২০১৪ সালে পারিচো ভাইরাসে আক্রান্ত এমন ১শ’রও বেশি অস্ট্রেলীয় শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এক বছর পর চিকিৎসকরা জানতে পারেন এসব শিশুর বেশিরভাগেরই শারীরিক বৃদ্ধি না হওয়া জনিত সমস্যা রয়েছে।
আরও পড়ুন: জীবনের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ভুলের কথা জানালেন হিলারি
এএসআইডি’র তথ্য অনুযায়ী, পারিচো ভাইরাসে আক্রান্তদের মধ্যে খিঁচুনি, খিটখিটে মেজাজ এবং পেশির ব্যথার মতো লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে।
এএসআইডি এর সভাপতি অধ্যাপক চেরিল জোনস এক বিবৃতিতে বলেন, ‘এটি একটি নতুন ভাইরাস এবং আমরা এর সম্পর্কে খুব কমই জানি। এ গবেষণাটির পারিচো ভাইরাসের কারণে শিশুদের মধ্যে কী ধরনের দীর্ঘমেয়াদি সংক্রমণ দেখা দিতে পারে তা বুঝতে সহায়ক হবে।’
আরও পড়ুন: ভাবমূর্তি বদলে ফেলছেন ট্রাম্প!
এএসআইডি’র গবেষণা প্রতিবেদন অনুযায়ী, এক দশকেরও বেশি সময় আগে ইউরোপে পারিচো ভাইরাস শনাক্ত হয়। আর অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ভাইরাসটি শনাক্ত হয় ২০১৩ সালের শেষের দিকে। সম্প্রতি ভাইরাসটি অস্ট্রেলিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে।
এএসআইডি’র তথ্য অনুযায়ী, কেবল সিডনির হাসপাতালে ভাইরাসটিতে আক্রান্ত শতাধিক শিশু ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশের মধ্যে স্নায়ুজনিত সংক্রমণ দেখা দিয়েছে।
আরও পড়ুন: ন্যূনতম সাইবার নিরাপত্তাও ছিল না বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সিস্টেমে
পারিচো ভাইরাসে আক্রান্ত ৭৯ জন নবজাতকের ৪৬ জনের ওপর সফল পর্যবেক্ষণ চালায় এএসআইডি। ১২ মাস পর্যবেক্ষণের পর দেখা গেছে প্রায় ২০ শতাংশ শিশুর স্নায়ুগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। রোগীর শরীর থেকে বের হওয়া তরলজাতীয় দ্রব্যের সংস্পর্শে আসলে অন্যরাও এতে আক্রান্ত হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে গবেষণা প্রতিবেদনে। সূত্র: বিবিসি
/এফইউ/








